Header AD
Trending

পোর্টাল থেকে ইআরওদের ক্ষমতা প্রত্যাহার! মনোজ আগরওয়ালের চ্যাট ফাঁস করে বিস্ফোরক অভিষেক

নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব বিধি ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ উপেক্ষা করে রাজ্যে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের (ইআরও) পোর্টাল অ্যাক্সেস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন, এমনই অভিযোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সমাজমাধ্যমে কমিশনের নিয়ম ভাঙার সেই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট প্রকাশ্যে এনে অভিষেকের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ সংশোধনী প্রক্রিয়া (SIRin Bengal) চলাকালীন দিল্লি থেকে প্রভাব খাটিয়ে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। ECINet পোর্টালে AERO-দের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ থেকে ERO-দের বঞ্চিত করার এই প্রয়াসকে ‘ত্রিস্তরীয় লঙ্ঘন’ বলছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।

শনিবার অভিষেকের এক্স হ্যান্ডল পোস্টটি ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালের সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা জেলাশাসকদের একটি গোষ্ঠীর কথোপকথনের কিছু স্ক্রিনশট। তাতে ইআরও-দের বিরুদ্ধে সিইও প্রশ্ন তুলছেন, কেন অন্যের এক্তিয়ারে ঢুকে কাজ করছেন ইআরও? তাঁর তো শুধু নিজের এলাকার ভোটার তালিকা নিয়েই মাথা ঘামানোর কথা। এই কথোপকথনের স্ক্রিনশট শেয়ার করে অভিষেক রীতিমতো আইনি ধারার কথা উল্লেখ করে দেখিয়েছেন, কীভাবে নিয়ম ভাঙা হচ্ছে। সেই প্রস্ঙ্গেই তিনটি নিয়ম ভাঙাকে ‘ত্রিস্তরীয় লঙ্ঘন’ বলেছেন তিনি।

মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের ঔদাসীন্যকে ‘বাবু কালচারের’ সঙ্গে তুলনা করে সমাজমাধ্যমে অভিষেক লিখেছেন,  ‘আরও উদ্বেগজনক বিষয় হল, যখন এই গুরুতর অসঙ্গতির বিষয়টি জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের নজরে আনা হয়, তখন তা অত্যন্ত ঔদাসীন্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন ভঙ্গিতে খারিজ করা হয়েছে। যা একটি সাংবিধানিক দপ্তরের পক্ষে সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত। এটাই সেই প্রোথিত ‘বাবু সংস্কৃতি’, যা নির্বাচন কমিশনের কার্যপ্রণালীতে ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গতকালই পরোক্ষে তিরস্কার করেছে।‘

পোস্টের শেষে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের সুরে অভিষেক লিখেছেন, বাংলার ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে ছেলেখেলা করার অধিকার কারও নেই। কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করলে বাংলা বিরোধী জমিদারদের ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।