Header AD

দিল্লি বিস্ফোরণের পরে বাংলাজুড়ে হাই অ্যালার্ট! কলকাতায় নাকা চেকিং,  কড়া নজর সীমান্তে

সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পরেই হাই অ্যালার্ট জারি হল কলকাতায়। শহর কলকাতার সমস্ত থানাকে সতর্ক করল লালবাজার। বিশেষত মেট্রো ও মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। প্রত্যেক যাত্রীর ব্যাগ পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে স্টেশনগুলিতে। শুধু কলকাতা মেট্রো নয়, হাওড়া, শিয়ালদহ-সমস্ত স্টেশনগুলিতে বাড়ানো হবে নিরাপত্তা। পাশাপাশি নাকা চেকিং এবং পেট্রোলিংয়েও জোর দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে লালবাজারের তরফে। কলকাতার সমস্ত ঢোকা এবং বেরনোর রাস্তাতেও চলবে বিশেষ নজরদারি। কলকাতার পাশাপাশি এলার্ট করা হয়েছে রাজ্যের সমস্ত জেলার পুলিশ সুপার এবং থানাকে।

দিল্লি বিস্ফোরণের পরে নড়েচড়ে বসেছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট। কমিশনারেটের উত্তরপাড়া থানার হুগলি ও হাওড়া জেলার সংযোগকারী থানাগুলিকে সতর্ক করা হয়। হুগলি থেকে হাওড়ার দিকে যে সব গাড়ি যায় কিংবা হাওড়া থেকে যে সব গাড়ি আসে, প্রত্যেকটি গাড়িকে পরীক্ষা করে দেখেন পুলিশ আধিকারিকরা। প্রতিটি চারচাকা গাড়ির ডিকি খুলে চেক করা হচ্ছে। পাশাপাশি শ্রীরামপুর থানার শেওড়াফুলি ফাঁড়ির পুলিশও নাকা চেকিং চালায় জিটি রোডে এবং দিল্লিরোড সংযোগকারী বৈদ্যবাটি চৌমাথা এলাকাতেও। বারাকপুর কমিশনারেটের উদ্যোগেও বিভিন্ন বড় রাস্তায় চালানো হয় নাকাচেকিং । শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকরাও নামেন পথে। কমিশনারেট এলাকায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি-সহ বিভিন্ন জায়গাতেও বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। এছাড়াও নেপাল, বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাতেও চালানো হচ্ছে বিশেষ নজরদারি। প্রসঙ্গত, দিল্লির লালকেল্লার সামনে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ তিনটি গাড়িতে পরপর ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। আশঙ্কা করা হচ্ছে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বিস্ফোরণ স্থলের পাশে ছিল জৈন মন্দির ও উমাশঙ্কর মন্দির। এই মন্দির দুটি হামলাকারীদের টার্গেট হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ, মুম্বই-সহ দেশের সমস্ত বড় শহরেও জারি করা হয়েছে হাই এলার্ট। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলতে কোনও খামতি রাখছে না রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ।