“SIR ঘোষণার পর রাজ্যে ইতিমধ্যেই ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। SIR শুরু হলে এরপর বাংলা জুড়ে মৃত্যুমিছিল দেখা যাবে।“ SIR –এর বিরুদ্ধে ফের এভাবেই গর্জে উঠলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের পরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা NKDA চেয়ারম্যান শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই সদ্য দলে যোগ দেওয়া দুই নেতা-নেত্রীকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। শোভন বৈশাখীকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বললেন, ‘”দল বেছে নেওয়ার প্রত্যেকের অধিকার আছে। উনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। এবার আমাদের সঙ্গে লড়াই করবেন।”এর সঙ্গে এস আই আর-এর প্রতিবাদের দিল্লিতে কমিশন ঘেরাওয়ের কথাও ফের এদিন বলেন তিনি।
মঙ্গলবার থেকে রাজ্যে SIR প্রক্রিয়ায় বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকায় নিবিড় সমীক্ষার কাজ শুরু করবেন। ওই একই দিনে এসআই আর-এর প্রতিবাদে মেগা মিছিলে পথে নামছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআই আর-এর বিরোধিতা করে এদিন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের সাবধানবাণী, “CAA ক্যাম্পের ফাঁদে পা দেবেন না। তা না হলে অসমের মানুষের মতো অবস্থা হবে। যাঁরা অসমে ক্যাম্পে নাম লিখিয়েছিল তাঁদের সবার নাগরিকত্ব গিয়েছে।“ পাশাপাশি তাঁর পরামর্শ, ”যেসব বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি যাবেন তাঁদের ওপর ভরসা রাখুন।“
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফের কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, “নির্বাচন কমিশন রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা না করে এস আই আর ঘোষণা করে দিল। আমিও দেখতে চাই দুবছরের জিনিস কীভাবে দুমাসে কোন জাদুকাঠি ব্যবহার করে করবে।” পাশাপাশি বাংলা ছাড়া বাকি আট প্রদেশে কেন এস আই আর হচ্ছে না সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
বিএলও-দের শুভেন্দু অধিকারীর হুমকির প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিষেক বলেন, বিষয়টি আমরা কমিশনকে জানিয়েছি। কিন্তু কমিশন যে সহযোগিতা করবে না তাও আমরা আগেই আন্দাজ করেছিলাম। কারণ জাতীয় নির্বাচন কমিশন বিজেপির সহচরী সংস্থা।“ এরপর এস আই আর থেকে একটাও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের ফের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।





