ইতিমধ্যেই উৎসবের মরশুমের শেষ পর্বে এসে উপস্থিত হয়েছে বাংলার মানুষ। জগদ্ধাত্রী পুজোর মধ্যে দিয়েই বাংলায় এবছরের মত সমস্ত বড় উৎসবের পরিসমাপ্তি বলা যায়। এই প্রথমবার কৃষ্ণনগর ও চন্দননগরের একাধিক জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধন করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। বুধবার, অষ্টমীর বিকেলে কলকাতার পোস্তায় জগদ্ধাত্রী পুজোর মণ্ডপে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন কৃষ্ণনগর ও চন্দননগরের একাধিক ক্লাব ও বারোয়ারি জগদ্ধাত্রী পুজোর। সেই সঙ্গে এই মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী দার্জিলিঙে সরস মেলার উদ্বোধন করবেন ভার্চুয়ালি। বিকেলে পুজোর উদ্বোধনের আগে এদিন নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে রাজ্যবাসীকে জগদ্ধাত্রী পুজোর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত,অষ্টাদশ শতাব্দীতে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের হাত ধরে বাংলায় যে জগদ্ধাত্রী পুজোর সূচনা হয়েছিল, তারই বড় সাক্ষ্য এখনও বহন করে চলেছে চন্দননগর। এবছর ঘূর্ণিঝড় মন্থার প্রভাবে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর এখাধিক মণ্ডপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও এতকিছুর মধ্যেও চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো নিয়ে বাংলার মানুষের উৎসাহে কোনোভাবেই ভাটা পড়েনি।
অন্যদিকেও কৃষ্ণনগরেও মহাসমারোহে শুরু হয়েছে জগদ্ধাত্রী পুজো। সেজে উঠেছে একাধিক বড় বড় ক্লাব ও বারোয়ারি পুজো মণ্ডপ।





