আইনের ছাত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ পাওয়া গেল আইনজীবীর চেম্বার থেকেই। বুধবার রাতে ওই ছাত্রীকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে ঘটেছে ঘটনাটি। খুন, আত্মহত্যা? নাকি প্রেমের টানাপোড়েন? উঠছে সেই প্রশ্ন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরেছে এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, কাকদ্বীপের গান্ধীনগর এলাকায় মৃতা ছাত্রীর বাড়ি । মৃতার নাম সোনিয়া হালদার। আইনের প্রথম বর্ষের ছাত্রী তিনি। প্র্যাকটিসের জন্য প্রতিদিন সোনিয়া যেতেন কাকদ্বীপ আদালতের আইনজীবী শেখ মানোয়ার আলমের কাছে। কাকদ্বীপ থানার প্রতাপাদিত্য গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ওই আইনজীবীর চেম্বার। নিত্যদিনের মতোই বুধবার সকালেও কলেজ শেষ হওয়ার পরে ওই আইনজীবীর চেম্বারে প্র্যাকটিসের জন্য গিয়েছিলেন সোনিয়া। রাতে বাড়ির লোকের কাছে তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর আসে। এরপর মৃতা ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।
তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় কাকদ্বীপ থানায়। দ্রুত মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। মৃতা ছাত্রীর ব্যাগ থেকে একটি প্রেমপত্রও পাওয়া যায়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ওই আইনজীবীর সঙ্গে ছাত্রীর একটি প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে বলে।
ওই আইনজীবীর বিরুদ্ধে মৃতা ছাত্রীর পরিবারের তরফ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এই ঘটনার।





