এসআইআর নিয়ে আতঙ্ক! তার জেরে কলকাতা পুরসভায় নতুন করে বার্থ সার্টিফিকেট(Birth Certificate) বানানোর জন্য লম্বা লাইন। আতঙ্কিত আবেদনকারীদের আশ্বস্ত করতে শুক্রবার লাইনে গিয়ে কথা বলেছেন স্বয়ং মেয়র ফিরহাদ হাকিম(Firhad Hakim)।
দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকেও এই ঘটনার উল্লেখ করেন মেয়র। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি জানান, “ আতঙ্কিত আবেদনকারীদের আশ্বস্ত করে বলেছি, ভয় পাবেন না, পাশে আছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বৈধ ভোটারদের নাম তুলতে তৃণমূল সমস্ত রকম সাহায্য দেবে।”
ভোটার পরিচয়পত্রের জন্য যে এগারোটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে তার মধ্যে একটি জন্মের শংসাপত্র। ২০০২ সালের ভোটার হিসাবে যাঁদের নাম নেই, তাঁদের রক্ষাকবচ হতে পারে বার্থ সার্টিফিকেট। এই খবর প্রকাশের পরই কাজ ফেলে শুধুমাত্র জন্মের শংসাপত্র সংগ্রহ করতে কলকাতা পুরসভায় গত দু’দিন ধরে দীর্ঘ লাইন দিচ্ছেন নাগরিকরা। সকাল থেকে পুরসভার কেন্দ্রীয় ভবনে হাজির হচ্ছেন সদ্য চল্লিশ বা তার বেশি বয়সি আম জনতা। কারও বাড়ি উত্তর কলকাতায়, কারও দক্ষিণ কলকাতায়। সকাল আটটা থেকে পুরসভার ৬ নম্বর গেটে পড়ছে দীর্ঘ লাইন। এপ্রসঙ্গে পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন আচমকা বার্থ সার্টিফিকেট সংগ্রহের প্রবণতা বেড়েছে। পুরসভার বর্তমান পরিকাঠামোয় গড়ে রোজ ৪৫০টি বার্থ সার্টিফিকেট ইস্যু করার ক্ষমতা রয়েছে। তাঁর কথায়, যেসব নথি জমা পড়ছে বেশিরভাগ ৫০-৫৫ বছরের পুরনো। কতটা উদ্ধার করা সম্ভব সংশয় থাকছে।





