শনিবার সকালে অমৃতসর – সহরসা গরিব রথ এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনাটি ঘটেছে ৭টা ৩০ নাগাদ পাঞ্জাবের সিরহিন্দ স্টেশনে। আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে ট্রেনের তিনটি কামরা। ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে যাত্রীদের মধ্যে। হুড়োহুড়ি পড়ে যায় গোটা স্টেশন চত্বরে।
অম্বালা থেকে আধ কিলোমিটার দূরে সিরহিন্দ রেলস্টেশনের কাছে ট্রেনটিতে দুর্ঘটনাটি ঘটে । সিরহিন্দ স্টেশনে ট্রেনটি ঢোকার আগে একটি কামরা থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয় কিছু মানুষজন। তৎক্ষণাৎ তারা ট্রেনের গার্ডকে সতর্ক করেন। এরপর গার্ড ট্রেনচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ও ট্রেনটিকে সঙ্গে সঙ্গে থামানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেনের ১৯ নম্বর কামরা থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা গিয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থামিয়ে যাত্রীদের ওই কামরা থেকে নামিয়ে ট্রেন খালি করে দেওয়া হয়। চোখের নিমেষে ট্রেনের একটি কামরায় আগুন ধরে যায় এবং সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের আরও দুটি কামরায়। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে দমকল এবং রেলের শীর্ষকর্তারা। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন আপাতত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে । তবে ট্রেনের তিনটি কামরা ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে।হতাহতের কোনও খবর নেই।
এক যাত্রীর কথায়, হঠাৎ একটা ঝাঁকুনি দিয়ে ট্রেন থেমে যায়। তারপরই চিৎকার-চেঁচামেচি শুনতে পাওয়া যায়। ট্রেনের বিভিন্ন কামরা থেকে লোকজন ব্যাগপত্র নিয়ে নামতে শুরু করেন। অনেকে তাড়াহুড়োর কারণে পড়েও যান। ততক্ষণে যাত্রীদের মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল, ট্রেনে আগুন লেগেছে। ফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা।
এইঘটনার পর উত্তর রেল বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, ১২ হাজার ২০৪ অমৃতসর-সহরসা গরিব রথ এক্সপ্রেস যখন ভাতিণ্ডা স্টেশন পেরোচ্ছিল, সেই সময় একটি কামরা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। দ্রুত ট্রেনটিকে সিরহিন্দ স্টেশনের কাছে থামিয়ে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। এই ঘটনায় এক যাত্রী সামান্য আহত হয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
তবে কী ভাবে আগুন লাগল তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে গুঞ্জন। প্রশ্ন উঠেছে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়েও । যদিও সব দিক খতিয়ে দেখছে রেল।





