Header AD

ঢোকা বেরনোর পথে সমস্যা! ভোল পাল্টাচ্ছে দক্ষিণেশ্বর – শহীদ ক্ষুদিরাম মেট্রো রুটের স্বয়ংক্রিয় গেট

বদল হতে চলেছে দক্ষিণেশ্বর-শহিদ ক্ষুদিরাম মেট্রোপথের স্বয়ংক্রিয় গেট। নতুন কিউআর কোড যুক্ত কাগজের টিকিট চালুর পর থেকেই মেট্রোয় যাত্রীদের ঢোকা-বেরেনোর সময় বেশ সমস‌্যায় পড়তে হচ্ছিল। অনেক সময় গেট খুলতে চায় না । এছাড়াও বহু গেট ঠিকঠাক কাজ করে না । সেই কারণে এই গোটা মেট্রোরুটের সমস্ত স্বয়ংক্রিয় গেটে (এএফসি, পিসি) আনা হচ্ছে বদল । ইতিমধ্যেই এই নিয়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ১৩৩টি নতুন গেট বসানো হবে ২৫টি স্টেশনে। যাত্রীদের আর মেট্রো স্টেশনে ঢুকতে বেরতে সমস‌্যা হবে না বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। মাস কয়েকের মধ্যেই এই গেটগুলো সব বদলে ফেলা হবে বলে জানা যাচ্ছে। মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক স্টেশনে ২০১১ সালে এই গেটগুলো বসানো হয়েছিল। ফলে এগুলোর বয়স এখন প্রায় ১৫ বছর। বহু পুরনো গেট বলে সেই সব যন্ত্রাংশও এখন আর পাওয়া যায় না। সেই কারণেই পুরনো গেট সারানোর বদলে নতুন গেট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যাত্রীদের দীর্ঘদিনের দাবি, মেট্রো থেকে নেমে এই স্বয়ংক্রিয় গেট দিয়ে বেরতে সমস্যা হয়। সব সময় গেট খুলতে চায় না। ফলে দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। পকেটে থাকা কাগজের টিকিট ভাঁজ হয়ে গেলেই কিউআর কোড আর ‘রিড’ করতে পারে না এই গেট। ফলে তা খোলে না।
এছাড়াও অধিকাংশ স্টেশনে এই স্বয়ংক্রিয় গেট খোলার ক্ষেত্রে বেশ সমস্যা দেখা দেয়। কাগজের টিকিটের সমস্যা এড়াতে আধুনিক ‘চিপ’ লাগানো হয়েছে গেটে। তাতেও পুরোপুরি সমস্যা মেটেনি। তাই এবার নতুনভাবে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে । বরানগর, দক্ষিণেশ্বরের মতো নতুন যে স্টেশন রয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে অবশ্য এই ধাপে নতুন গেট বসবে না। প্রযুক্তিগত সমস্যায় অনেক সময় গেট খুলতে দেরি হচ্ছে। প্ল্যাটফর্মে ট্রেন ঢোকার পরে গেটের সামনে হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে।

মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, অনেক সময় দেখা যাচ্ছে, কাগজের যে অংশে কিউআর কোড রয়েছে, সেই অংশটা জায়গা মতো ছোঁয়াচ্ছেন না যাত্রীরা। ফলে গেট খুলছে না। বারবার হলে সেক্ষেত্রে পরে স্মার্ট কার্ড ছোঁয়ালেও গেটে সমস্যা হতে পারে। কারণ নেটওয়ার্ক সমস্যা তৈরি হয়। যাত্রীদের অবশ্য অভিযোগ, শুধু কাগজের টিকিটই নয়। স্মার্ট কার্ড ছোঁয়ালেও স্বয়ংক্রিয় গেট মেট্রোর অনেকসময়ই খোলে না। তাই সব গেট বদলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।