বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্য ওড়িশায় কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে এল কেউটে! ভুবনেশ্বরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগের তদন্তে নেমে নারীপাচার এবং বড়সড় যৌনচক্রের নাগাল পেল ওড়িশা পুলিশ।জানা গিয়েছে নির্যাতিতা সেই চক্রেরই শিকার। অভিযান চালিয়ে পুলিশ লক্ষ্মীনগর এলাকা থেকে ধর্ষণে অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পাশাপাশি নারীপাচার ও যৌনচক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে বাড়ির মালিকসহ দুই মহিলা।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতের এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে ভুবনেশ্বরের লক্ষ্মীনগরে একটি পাচারচক্র পুলিশের নজরে আসে। শনিবার ভুবনেশ্বর পুলিশ এবং লক্ষ্মীনগর থানার পুলিশ একটি যৌথ অভিযান চালায়। তাদের কাছে খবর আসে লক্ষ্মীনগর এলাকার একটি বাড়িতে নারীপাচার চক্র চলছে। ওই বাড়িতে হানা দিয়ে পুলিশ তিনজন মহিলাকে উদ্ধার করেছে। পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ কমিশনার এস দেবদত্ত সিংহ এই ঘটনা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, যে হাসপাতালের সামনে কিশোরীকে আহত অবস্থায় ফেলে যাওয়া হয়েছিল, সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে এক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখান থেকেই লক্ষ্মীনগরে একটি বাড়ির কথা জানতে পারেন তারা। দেখা যায় ওই বাড়ি থেকেই নারীপাচার এবং যৌনচক্র চালানো হচ্ছিল। পুলিশ সূত্রে খবর নির্যাতিতা নাবালিকা ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। কিশোরী ওই নারীপাচার চক্রের শিকার হয়ে ওড়িশায় এসে পড়ে। অনুমান কিশোরীকে জোর করেই দেহব্যবসায় নামানোর চেষ্টা করেছিলেন ধৃতেরা। তিনি রাজি না হওয়ায় চলেছিল অকথ্য অত্যাচার।চিকিৎসকদের দাবি মেয়েটির ওপর একাধিকবার নির্যাতন হয়েছে।
তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, লক্ষ্মীনগরের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মঞ্জু শেঠি, মমতা সাহু, সঞ্জীবকুমার দাস এবং অবিনাশ মুদুলিকে। শেঠি, সাহু এবং দাস এই পাচারচক্রের মূল কাণ্ডারি।





