Header AD

আরজি কর কাণ্ড: বিচারের দাবিতে শনিবার নাগরিক সমাজের নবান্ন অভিযান! আড়ালে কি রাজ্যকে অশান্ত করার ছক?

আরজি কর কাণ্ড: বিচারের দাবিতে শনিবার নাগরিক সমাজের নবান্ন অভিযান! আড়ালে কি রাজ্যকে অশান্ত করার ছক?

আরজি কর-কাণ্ডের এক বছর পার! ঠিক এক বছর আগে আট অগাস্ট মধ্যরাতে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নৃশংস ভাবে ধর্ষণ-খুন হয় তরুণী চিকিৎসক পড়ুয়ার। তারপরে বিচারের দাবিতে রাজ্য তথা দেশজুড়ে অনেক আন্দোলন সংগঠিত হয়েছে। এক বছর পর ফের সেই মৃত্যুকে সামনে রেখে। বিচারের দাবিতে শনিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে নাগরিক সমাজ। তাতে উপস্থিত থাকবেন নির্যাতিতার মা-বাবাও। তৃণমূল বাদে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এই অভিযানে সামিল হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, অভয়া কাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবারই মিছিল করেছে‘ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফোরাম’। শুক্রবার রাত ৯টায় কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু হয়ে মিছিল শেষ হয় শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়ে। সেখানেই রাতভর চলে অবস্থান। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, যেখানে একমাত্র অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত হয়েছে এবং তার সাজা ঘোষণাও হয়ে গিয়েছে, তখন এই ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচির আড়ালে কি রাজ্যকে অশান্ত করতে চাইছে অতি বাম শক্তিগুলি? স্বভাবত শনিবারের নবান্ন অভিযান ঘিরে শহরে সম্ভাব্য উত্তেজনা এড়াতে কড়া প্রস্তুতি নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। লালবাজার জানিয়েছে, শনিবার ভোর ৪টে থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শহরের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে থাকবে।এই সময় জরুরি পরিষেবার গাড়ি ছাড়া সমস্ত ধরনের পণ্যবাহী গাড়ির চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে নির্দিষ্ট রাস্তাগুলিতে। তালিকায় রয়েছে— বিদ্যাসাগর সেতু, খিদিরপুর রোড, তারাতলা রোড, সার্কুলার গার্ডেনরিচ রোড, হাইড রোড, জওহরলাল নেহরু রোড, আরআর অ্যাভিনিউ, রেড রোড, ডাফরিন রোড, মেয়ো রোড, এজেসি বোস রোড, এসএন ব্যানার্জি রোড, এমজি রোড, ব্র্যাবোর্ন রোড এবং হাওড়া সেতু।নবান্ন অভিযানের আগেই কলকাতার বহু জায়গায় বসানো হয়েছে স্টিলের ব্যারিকেড, কন্টেনার, জলকামান। পুলিশ সূত্রে খবর, বিদ্যাসাগর সেতুতে যাতে কোনও মিছিল উঠতে না পারে, সে জন্য সেতুতে ওঠার সব রাস্তায় থাকবে ব্যারিকেড। পাশাপাশি টার্ফ ভিউ রোড, হেস্টিংস মাজার, ফারলং গেট ও খিদিরপুর রোডে বসানো হচ্ছে অ্যালুমিনিয়ামের গার্ডওয়াল।গতবার ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’-এর ডাকা নবান্ন অভিযানে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। সেই কর্মসূচিতে সমর্থন দিয়ে যোগ দিয়েছিল বিজেপিও। ব্যারিকেড ভাঙা, ভাঙচুর, বাইকে আগুন, এবং আন্দোলনকারী ও পুলিশের সংঘর্ষে দুই পক্ষেরই একাধিক জন আহত হয়েছিলেন। এ বারও একই ধরনের পরিস্থিতির আশঙ্কা করছে পুলিশ। তাই বাহিনীকে একসঙ্গে থেকে বিক্ষোভকারীদের মোকাবিলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।