বাংলায় শুরু হয়ে গিয়েছে এসআইআর। এই এসআইআর-এর জন্য চাই জন্ম শংসাপত্র। সেই শংসাপত্র নিতেই কলকাতা থেকে শুরু করে ভিন রাজ্যে ও জেলার লোকজনও হাজির হচ্ছেন কলকাতা পুরসভায়। যাদের জন্মের শংসাপত্র নেই অথবা হারিয়ে গিয়েছে তাঁদের প্রতিলিপি কপি দেওয়া হচ্ছে। গত সাতদিনের বেশি সময় ধরে এই কাজ চলছে। পুরসভার সামনে এই শংসাপত্র নেওয়ার জন্য লম্বা লাইনও পড়ছে। পুরসভার থেকে বেরিয়ে লাগোয়া রক্সি সিনেমা পর্যন্ত এঁকেবেঁকে লম্বা লাইন চলে যাচ্ছে। এই সব তথ্য শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেছেন, ‘‘মানুষ খুবই আতঙ্কিত। তাই জন্মের প্রতিলিপি দেওয়ার সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছি।”
পুর স্বাস্থ্যবিভাগ সূত্রে জানা যাচ্ছে, এখন রোজ গড়ে ১৫০টি করে বার্থ সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। পুরস্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্তা জানান, শুধুমাত্র কলকাতা নয়, ভিন জেলা এমনকী ভিন রাজ্য থেকেও মানুষও আসছেন পুরসভায়। তাঁরা জন্মেছিলেন শহরের কোনও বেসরকারি হাসপাতাল অথবা নার্সিংহোমে। কিন্তু কাজের সুবাদে কেউ বেঙ্গালুরু কেউ আবার হায়দরাবাদে অথবা অন্য কোনও রাজ্যে রয়েছেন। কার্যত অফিস ছুটি নিয়ে ছুটে এসেছেন কলকাতা পুরসভায়। কারণ, হাসপাতালের নথি থাকলেও অনেকের কাছেই পুরসভার জলছবি দেওয়া জন্মের শংসাপত্র নেই। তিনি আরও বলেন, করোনা আবহে চ্যাটবটের মাধ্যমে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র দেওয়া শুরু হয়। এখনও সেই পদ্ধতি চলছে। মাঝেমধ্যেই কম্পিউটার হ্যাং করছে। কাজের গতি কমছে। মানুষ অভিযোগ জানাচ্ছেন। এই বিষয়ে মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, হাতে লেখা বার্থ সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। সবগুলি কম্পিউটারে জলছবি দেওয়া এবং মুখ্য স্বাস্থ্যআধিকারিকের স্বাক্ষর যুক্ত।





