Header AD

এসআইআর নিয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য সরকার! বিচার ব্যবস্থায় আস্থা রাখার নির্দেশ

এসআইআর (SIR) ইস্যুতে জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রসঙ্গে বড় অভিযোগ তুলে ফের সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court Of India) দ্বারস্থ রাজ্য সরকার। অভিযোগ কমিশন শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মানছে না। এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ইতিপুর্বে বড় নির্দেশ দিয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্টকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দিয়ে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি খতিয়ে দেখতে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। বাইরের রাজ্য থেকে এ রাজ্যে অফিসাররা আসছেন। জুডিশিয়াল অফিসারদের কমিশন নির্দেশ দিচ্ছে। এই অভিযোগে রাজ্যের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টে শুনানিতে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। এদিন মামলার আবেদনের প্রেক্ষিতে পর্যবেক্ষণে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কমিশনের উপর আস্থা ও ভরসা রাখার পরামর্শ দেন বাংলাকে।

রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে আর মাত্র কদিন বাকি। তার আগে এসআইআর নিয়ে বিতর্ক এবং ডামাডোল বেড়েই চলেছে। রাজ্য SIR-কে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক অভিযোগ জানিয়েছে। কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট বলেও অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের মানুষদের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে সওয়াল করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে একাধিক নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

অভিযোগ, শীর্ষ আদালতের সেই নির্দেশ নির্বাচন কমিশন অমান্য করছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের নির্দেশ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন নিজেই। রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতে এই প্রসঙ্গে সওয়াল করেন। তিনি জানান, হাইকোর্টকে না-জানিয়ে জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন।
শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল আরও বলেন, ‘‘কমিশন যদি বিচারকদের নির্দেশ দেয়—যেমন কোন শংসাপত্র গ্রহণ করতে হবে এবং কোনটি নয়—এক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে।’’ বিচারপতি বাগচী বলেন, ‘‘আপনার কথা মেনে নিলে এই প্রক্রিয়াটি বোঝানোর জন্য বিচারকদের প্রশিক্ষণ দেবে কে? আমাদের নির্দেশ দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। কমিশন কোনও নির্দেশকেই অগ্রাহ্য করতে পারে না।’’

পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছে। কেন এই সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হবে না? রাজ্যের তরফে আদালতে সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে। রাজ্যের আইনজীবীর অভিযোগ, মহকুমাশাসকের দেওয়া ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হবে না—এমন কথা বলা হচ্ছে। এর উত্তরে বিচারপতি বাগচী বলেন, ‘‘কমিশনের এসআইআরের বিজ্ঞপ্তি এবং আমাদের নির্দেশে কী রয়েছে সেটি দেখুন। সেখানে এই শংসাপত্র নিয়ে কী বলা হয়েছে। যদি নির্দেশ থাকে কমিশনকে অবশ্যই তার বিবেচনা করতে হবে।’’ একই সঙ্গে আদালত আস্থা, ভরসা রাখতে নির্দেশ দেন দেশের শীর্ষ আদালত।