আগামী ডিসেম্বর মাসে আরও ১৬ লক্ষ প্রান্তিক মানুষকে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের প্রথম কিস্তির টাকা দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। গতবছর ডিসেম্বর মাসে ১২ লক্ষ মানুষ এই প্রকল্পের প্রথম কিস্তি হিসেবে ৬০ হাজার টাকা করে পেয়েছিলেন। চলতি বছরের মে মাসে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হয় তাঁদের হাতে। কেন্দ্র সরকার বাংলা আবাস যোজনায় নিজের অংশের অর্থ দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ার পর গ্রামীণ মানুষের জন্য স্বতন্ত্রভাবে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প চালু করে রাজ্য সরকার। এই বছরেও নতুন উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে যাবে প্রথম কিস্তির টাকা, এমনি জানিয়েছে নবান্ন।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে চালু হওয়া এই প্রকল্পে ইতিমধ্যেই নতুন উপভোক্তাদের তালিকা তৈরি হয়েছে। এবার তালিকাভুক্ত প্রত্যেক আবেদনকারীকে ফের একবার যাচাই করার কাজ শুরু করেছে পঞ্চায়েত দফতর। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মোট ছয়টি ধাপে হবে এই যাচাই প্রক্রিয়া। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে ৩ থেকে ১০ নভেম্বরের মধ্যে জেলার সমস্ত পঞ্চায়েত এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দফতরে নির্বাচিত উপভোক্তাদের নামের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে। তালিকা প্রকাশের পর পর যদি কোনও আপত্তি ওঠে, তা সংশোধন করে গ্রামসভার মাধ্যমে পাশ করানো হবে। চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে জেলাস্তরের প্রকল্প কমিটি। সব প্রক্রিয়া শেষ করে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে উপভোক্তাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য। প্রতিটি উপভোক্তার বর্তমান বাড়ি ও জমির জিও ট্যাগিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।





