Header AD

চাকরি বাতিলের পর সম্পন্ন হল প্রথম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, ভিনরাজ্যের অসংখ্য পরীক্ষার্থী

যোগ্য- অযোগ্য বিতর্কের মাঝে রবিবাসরীয় দুপুরে সম্পন্ন হল রাজ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এস এস সি) পরীক্ষা। নবম ও দশম শ্রেনীর জন্য এই নিয়োগ পরীক্ষায় বসলেন  ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন চাকরি প্রার্থী। ৯ বছর পর রাজ্যে অনুষ্ঠিত হল এই পরীক্ষা। প্রথমদিনের পরীক্ষা শেষ হল নির্বিঘ্নেই। কোথাও সেরকম গণ্ডগোলের খবর নেই। এদিন সকাল ১০ নাগাদ পরীক্ষা কেন্দ্রের দরজা খুলে দেওয়া হয়। তারপর দুপুর ১২ নাগাদ রাজ্যের ৬৩৬ টি কেন্দ্রে শুরু হয় পরীক্ষা। তারপর ১-৩০ নাগাদ পরীক্ষা শেষ হয়। বিশেষভাবে সক্ষমরা  নিয়ম অনুসারে ৩০ মিনিট বেশি সময় পেয়েছেন। তবে পুলিশি ঘেরাটোপে এস এস সি পরীক্ষাকেন্দ্রে, সোশাল মিডিয়ায় এমন ভুয়ো পোস্ট করে গ্রেপ্তার হন অরিন্দম পাল নামে এক যুবক। উল্লেখ্য, বিজেপি শাসিত রাজ্যে থেকেও এদিন এস এস সি দিতে এসেছিলেন বেশ কিছু চাকরিপ্রার্থী।

তবে চাকরিহারা অনেক ‘যোগ্য ‘ প্রার্থী আবার এই পরীক্ষার প্রতিবাদে কালো পোশাক পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে হাজির হন। এদেরই একজন আন্দোলনকারীদের  অন্যতম মুখ মেহবুব মণ্ডল। তাঁর পরীক্ষার সিট পড়েছিল সোনারপুর বিদ্যাপীঠে। পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার আগে তিনি বলেন, ‘ আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আবার নতুন করে পরীক্ষা দেওয়া সকলের পক্ষে সম্ভব নয়। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে অসাংবিধানিক উপায়ে বিচার ব্যবস্থার মধ্যস্থতায় নিরপরাধ মানুষের বলি দেওয়া হল। এর প্রতিবাদ জানাতেই কালো পোশাক পরে এসেছি।’

তবে বেশিরভাগ পরীক্ষার্থী এস এস সি দিয়ে খুশি। অনেকেই জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র ভালোই হয়েছে। ২০১৬ সালের এস এস সি পরীক্ষা ঘিরে বিস্তর দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। পরবর্তী কালে সুপ্রিম কোর্ট সেই প্যানেল বাতিল করে দেয়। অনেক জলঘোলার পর শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনেই গত ৩০ সেপ্টেম্বর ১৮০৬ জনের একটি ‘ দাগি ‘ তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। সব বিতর্ক সরিয়ে এবার নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হবে বলেই আশাবাদী পরীক্ষার্থীরা।