রবিবার রাতের আকাশে ঘটতে চলেছে এক মহাজাগতিক বিস্ময়! পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ! আজ,৭ সেপ্টেম্বর ভাদ্র পূর্ণিমায় এই বছরের দ্বিতীয় তথা শেষ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ।রবিবার আকাশে চোখ রাখলে দেখা যাবে চাঁদের পূর্ণগ্রাস গ্রহণ। শুধু তাই নয়, ৮২ মিনিট ধরে দেখা যাবে লাল রঙের চাঁদ। যদিও গ্রহণের প্রক্রিয়া চলবে আরও বেশি সময় ধরে। তার ফলে আকাশে দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’। তবে আলোকোজ্জ্বল শহরাঞ্চলে খালি চোখে নয় ‘ব্লাড মুন’ দেখতে লাগবে টেলিস্কোপ।
রবিবার রাত ৮টা ৫৮ থেকে শুরু হয়ে সোমবার ভোররাত ২:২৫ পর্যন্ত চলবে গ্রহণ। দীর্ঘ এই গ্রহণ এবার কলকাতা সহ সারা রাজ্যে দৃশ্য।চাঁদের আংশিক গ্রহণ শুরু হবে রাত ৯টা ৫৭ মিনিটে। চাঁদের পূর্ণগ্রহণ হবে রাত ১১টা ১মিনিট থেকে ১২:২২ পর্যন্ত। গ্রহণের সময় এদিন শনিগ্রহকেও চাঁদের কাছাকাছি দেখা যাবে। এই বিরল ঘটনার সময় চাঁদ পৃথিবীর ছায়ার মধ্য দিয়ে যাবে, যার মধ্যে চাঁদ ধীরে ধীরে লাল এবং কমলা রঙে পরিণত হবে। এই গ্রহণ চলবে মোট ৮২ মিনিট। এই গ্রহণ ভারতে দেখা যাবে। উত্তর ভারতে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে দিল্লি, চণ্ডীগড়, জয়পুর, লখনউতে। পশ্চিম ভারতে মুম্বই, আহমেদাবাদ, পুণেতে দেখা যাবে এই গ্রহণ। দক্ষিণ ভারতে চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, কোচিতে দেখা যাবে এই গ্রহণ। আর পূর্ব ভারতে কলকাতা, ভুবনেশ্বর, গুয়াহাটির মতো জায়গাতেও দেখা যাবে এই গ্রহণ। মধ্য ভারতে ভোপাল, নাগপুর, রায়পুরে দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ। অর্থাৎ, গোটা দেশেই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে।ভারত ছাড়াও পশ্চিমে উত্তর আমেরিকা, পূর্বে দক্ষিণ আমেরিকা, প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক, ভারত মহাসাগর, ইউরোপ, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, আর্কটিক, অ্যান্টার্কটিকা দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ।
চন্দ্রগ্রহণ একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বিরল ঘটনা, কোনও কুসংস্কার নয়। চন্দ্রগ্রহণে গঙ্গাস্নান করার দরকার নেই, রান্না খাবারে বিষক্রিয়া হয় না, খাবার নষ্ট বা ফেলে দিতেও হয় না। এই বিষয়ে প্রচার চলবে যাদবপুর, কসবা, তিলজলা, পার্ক সার্কাস, বালিগঞ্জ, সিঁথি, পাইকপাড়া, নিউ আলিপুর, রাজাবাজার, গোবরা, ঢাকুরিয়া, টালিগঞ্জ, বেহালায়। একাধিক জায়গায় ক্যাম্প করে টেলিস্কোপে রক্তিম চাঁদ দেখাবে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞানমঞ্চ।





