কোচবিহার শহরের সামগ্রিক উন্নয়নের দাবিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন দলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক এবং কোচবিহার পৌরসভার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক দিলীপ সাহা।
এর আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোচবিহারে এসে ঘোষণা করেছিলেন, জেলার সার্বিক উন্নয়নের দায়িত্ব তিনি নিজেই দেখবেন। সেই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতেই বুধবার কোচবিহার পৌরসভা এলাকার একাধিক দাবি ও সমস্যার বিষয় তুলে ধরে তাঁর হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।
সাক্ষাতে পৌরসভার অস্থায়ী কর্মচারীদের সরাসরি পৌরসভার তত্ত্বাবধানে আনা, শহরের পুকুর, বাজার, নর্দমা ও পথবাতির উন্নয়ন এবং বিশেষ করে রাজনগর-সহ কোচবিহার শহরের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। চেয়ারম্যান দিলীপ সাহা জানান, শহরের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রসঙ্গত, পৌরসভার পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে শহর পরিচ্ছন্নতার কাজে জোর দেওয়া হয়েছে, এমনকি রাতের সময়ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। সন্ধ্যার পর সান্ধ্যকালীন পরিষেবাও চালু করেছেন পৌরকর্মীরা।
এছাড়াও পৌর উন্নয়ন দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি গোলাম আনসারীর সঙ্গেও বৈঠকে কোচবিহার পৌরসভার বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কর্মচারীদের নিয়মিতকরণ, ঐতিহ্যবাহী পুকুর ও রাজ আমলের নালার সংস্কার এবং দ্রুত পথবাতি স্থাপন ও অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের দাবি।
জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, খুব শীঘ্রই জেলার আরও পাঁচটি পৌরসভার প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি লিপিবদ্ধ করে দলীয় উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে। তাঁর মতে, সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জেলার সামগ্রিক উন্নয়নই এখন মূল লক্ষ্য।





