Header AD

উত্তরবঙ্গে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের শস্যবিমা দেওয়ার কাজ শুরু, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

কয়েকদিন আগের প্রবল প্রাকৃতিক বিপর্যয় কার্যত বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গ। সরকারি উদ্যোগে জোর কদমে চলছে পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের কাজ। উত্তরবঙ্গের দুর্যোগে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তাঘাট বাড়িঘর। সেতু ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বহু এলাকা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চা বাগান, বিঘার পর বিঘা চাষের জমি। নষ্ট হয়েছে ফসল। এবার বিপদে পড়া চাষিদের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার। বাড়ি- বাড়ি গিয়ে , ত্রাণ শিবিরে থাকা চাষিদের কাছে গিয়ে শস্য বিমার ফর্ম ফিলাপের কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। বুধবার দার্জিলিংয়ের লালকুঠিতে প্রশাসনিক বৈঠকে একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়। পাশাপাশি, তিনি জানিয়েছেন, ডিএম, বিডিওরা সার্ভে রিপোর্ট পাঠাবেন, কৃষি দপ্তর নিজেরাও সেটা খতিয়ে দেখবে। দ্রুত সেই টাকা পাবেন চাষিরা।

প্রসঙ্গত প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে ভুটান থেকে জল এসে ভাসিয়ে নেয় উত্তরের একাধিক এলাকা। বৃষ্টির জল ও ভূমিধসে ভেসে গিয়েছে বিস্তর চাষের জমি। আলিপুরদুয়ার, নাগরাকাটা, মিরিক, দার্জিলিংয়ের বহু জমি এখনও জলের তলায়। সেই সমস্ত এলাকার চাষিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই কাজও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তিনি বলেন, “জমির পর জমি নষ্ট হয়েছে। চাষিদের শস্যবিমার টাকা আমরা দিই। চাষিদের কোনও টাকা লাগে না। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা নাম লেখালেই সেই টাকা তাঁরা পেয়ে যাবেন। চিন্তার কোনও কারণ নেই।“ এর আগেই উত্তরবঙ্গের বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কোনও কৃষকের নাম যেন বাংলা শস্যবিমার আওতা থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে আধিকরিকদের নির্দেশ দিয়েছিলেন কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। প্রয়োজনে বিপর্যস্ত এলাকার চাষিদের কাছে গিয়ে তাঁদের নাম তোলার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি।