Header AD
Trending

BGBS-এ ৬৩৫ কোটির কেলেঙ্কারি! এবার শুভেন্দুর নজরে মমতার বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন

suvendu tata

রাজ্যে আগামীদিনে শিল্পোন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি অতীতের আর্থিক ব্যয়ের হিসাব খতিয়ে দেখার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টার (Biswa Bangla Convention Centre)-এ আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনগুলিতে বিপুল অর্থ নয়ছয়ের বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনা হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করতে গিয়ে একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে প্রায় ৬৩৫ কোটি টাকা প্রদান করেছিল পূর্বতন রাজ্য সরকার। এই অর্থ কোন কোন খাতে ব্যয় হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে কোনও অনিয়ম হয়ে থাকলে তা উপেক্ষা করা হবে না।

তিনি বলেন, “বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন করতে গিয়ে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে ৬৩৫ কোটি টাকা দিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছাড়ব না।তদন্ত হবে।”

একই সঙ্গে তিনি রাজ্যের শিল্প পরিস্থিতি নিয়ে নতুন আশাবাদের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর মতে, শিল্প ও বিনিয়োগ ছাড়া কোনও রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন শিল্প প্রকল্পের প্রস্তাব সরকারের কাছে এসেছে এবং সেগুলি পর্যালোচনার জন্য শিল্পসচিবের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে বলে দাবি করেন

মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পের প্রসারের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এর ফলে একদিকে যেমন বেকারত্ব কমবে, তেমনই রাজ্যের বাইরে কাজ করতে যাওয়া বহু পরিযায়ী শ্রমিকও ফিরে আসতে পারবেন।

পাশাপাশি রাজস্ব বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্য পরিষেবার সম্প্রসারণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও বড় বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে তিনি মনে করেন।

বিনিয়োগকারীদের বিষয়ে সরকার সতর্ক অবস্থান নেবে বলেও জানান তিনি। কোনও শিল্পগোষ্ঠী বা ব্যবসায়ী সংস্থা বাংলায় বিনিয়োগ করতে চাইলে তাদের উদ্দেশ্য, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং অতীতের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখা হবে। জমি বা আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না, তাও যাচাই করা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

সব মিলিয়ে, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গকে নতুন অর্থনৈতিক গতিপথে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যের কথাই এদিন তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।