বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের (Election in bengal) ভোটপর্ব শেষ হতেই জামিন পেলেন শাসকদল ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের (IPAC) ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেল (Vinesh Chandel)। বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্টে তাঁর জামিনের শুনানি হয়। আদালতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) জামিনের বিরোধিতা না করায় বিচারক ভিনেশের জামিন মঞ্জুর করেন।
গত ১৩ এপ্রিল, অর্থাৎ ভোটের ঠিক আগে, আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে ভিনেশ চান্ডেলকে দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার করেছিল ইডি। অভিযোগ ছিল, কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেনে তাঁর যোগ রয়েছে। নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে এই গ্রেপ্তারিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়। বিরোধী রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি ছিল, এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
সে সময় তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Avishek Banerjee) অভিযোগ করেছিলেন, BJPর বিরোধিতা করলেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিশানায় পড়তে হচ্ছে। একই সময়ে আইপ্যাকের পক্ষ থেকে বাংলায় সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ রাখার ঘোষণা করা হয় এবং কর্মীদের কিছুদিনের ছুটিতে পাঠানো হয়, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল।
পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জানান, প্রয়োজন হলে আইপ্যাকের কর্মীদের পাশে দাঁড়াবে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোট শেষ হওয়ার পরপরই ভিনেশ চান্ডেলের জামিন মঞ্জুর হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, পিএমএলএ আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী ইডি চাইলে জামিনের বিরোধিতা করতে পারত। কিন্তু তারা তা না করায় আদালত জামিন মঞ্জুর করে। তবে ভিনেশ চান্ডেল কবে জেল থেকে মুক্ত হবেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য মেলেনি।





