Header AD
Trending

‘১০ জন্মেও দাঁত ফোটাতে পারবে না! ক্ষমতা থাকলে লড়ে দেখাও’, ফলতার পুনর্নির্বাচনে কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ab ranaghat

ফল তার ভোট ( West Bengal Assembly Election) বাতিল এবং কমিশনের (Election Commission of India) পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু তীব্র রাজনৈতিক তরজা। ‘দশ জন্মেও ডায়মন্ড হারবার মডেল-এ দাঁত ফোটাতে পারবেনা। ক্ষমতা থাকলে লড়ে দেখাও।‘ কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)।

সারা রাজ্যের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা সম্পন্ন হওয়ার পরেও নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল ফলতা। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ফল তার ভোট বাতিল করা হল। আগামী ২১ মে ফলতার ২৮৫টি বুথে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে এবং তার ফল ঘোষণা করা হবে ২৪ মে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।কমিশনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সমাজমাধ্যমে তিনি সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে দাবি করেন, তাঁর ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’-কে নষ্ট করার ক্ষমতা বিরোধীদের নেই। পাশাপাশি তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, সাহস থাকলে ফলতায় নেমে লড়াই করে দেখাতে। শনিবার রাতে এক্স হ্যান্ডল পোস্টে তাঁর আক্রমণ, ’১০ জন্ম চেষ্টা করেও ডায়মন্ড হারবার মডেলে দাঁত ফোটাতে পারবে না এই বাংলা বিরোধী গুজরাটি ও তাদের দালাল জ্ঞানেশ কুমার। যা খুশি সঙ্গে নিয়ে ফলতায় আসুন। এমনকী গোটা ভারত, দিল্লি থেকে গডফাদারদের নিয়ে আসুন। স্নায়ুর জোর থাকলে ফলতায় লড়াই করুন।’

শনিবার রাতেই ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন ঘোষণা করেছে কমিশন। নজিরবিহীনভাবে গোটা বিধানসভায় ফের ভোট হবে। ভোটের দিন অর্থাৎ গত ২৯ এপ্রিল এখানকার গুটিকয়েক বুথে অশান্তি, কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণে গোটা একটি কেন্দ্রের ফলঘোষণা স্থগিত করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত সাম্প্রতিক অতীতে বেনজির। এর নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। তা স্পষ্ট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্টেই। কমিশনকে এনিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে অভিষেকের মত, ফলতায় যত না নির্বাচনী যুদ্ধ হতে চলেছে, তার চেয়ে বেশি হবে স্নায়ুর লড়াই।

অভিষেকের পাশাপাশি ভিডিও বার্তায় এই পুনর্নির্বাচন নিয়ে তোপ দাগলেন তৃণমূল প্রার্থী তথা দলের অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষও। ভোটের তিনদিন পর এনিয়ে কমিশনের তৎপরতা নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘গোটা ফলতা জুড়ে রিগিং হল আর আপনারা দিনের দিন ধরতে পারলেন না? গন্ডারের গায়ে সুড়সুড়ি দিলে, তিনদিন পর হাসে। তো আপনাদেরও সেই অবস্থা। এত রিগিং হল যে ডে অফ ইলেকশন ধরতে পারলেন না?”

পাশাপাশি‘সিংঘম’ অফিসার অজয় পাল শর্মার সাসপেনশনের দাবি তুলেছেন কুণাল ঘোষ।সব মিলিয়ে, ফলতায় পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলেছে, এবং কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।