প্রবল দুর্যোগ ও টানা অতিবৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গে বালাসন নদীর জলস্তর হু-হু করে বেড়ে যাওয়ায় মিরিকের দুধিয়া এলাকার বেইলি ব্রিজের একাংশ ভেসে যায়। এর ফলে শিলিগুড়ির সঙ্গে মিরিকের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পাশাপাশি নদীর প্রবল স্রোতে হিউমপাইপের অস্থায়ী সেতুরও একাংশ ভেঙে যায়, যার জেরে ১২ নম্বর রাজ্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে সেনাবাহিনীর কাছে দ্রুত একটি বেইলি ব্রিজ নির্মাণের আবেদন জানানো হয়। নদীর জল কিছুটা কমতেই সেনাবাহিনী যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করে এবং মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই নতুন বেইলি ব্রিজ নির্মাণ সম্পন্ন করে।বুধবার নবান্ন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে নবনির্মিত দুধিয়া বেইলি ব্রিজের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, সাংসদ রাজু বিস্তা-সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা।এই গুরুত্বপূর্ণ সেতু দ্রুত নির্মাণের জন্য মুখ্যমন্ত্রী সেনাবাহিনীর জওয়ানদের ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। তিনি জানান, সাধারণ মানুষ এখন থেকে এই সেতু ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতু নির্মাণ এবং চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাংসদ রাজু বিস্তাও।
গত জুন মাসে দার্জিলিং-সহ পার্বত্য এলাকায় অতিভারী বৃষ্টির ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। বালাসন নদীর প্রবল স্রোতে দুধিয়ার অস্থায়ী সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাহাড়ের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। নতুন বেইলি ব্রিজ চালু হওয়ায় সেই সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। ফলে মিরিক ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকদের যাতায়াতও এখন আগের তুলনায় অনেক সহজ হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।




