আগের দিনেই প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে রবিবার সন্ধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকেই দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ভবানীপুর কেন্দ্রকে, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী তিনি।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার ৮ জন কাউন্সিলর, ওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট এবং চিফ ইলেকশন এজেন্টরা এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা-নেত্রীও থাকবেন আলোচনায়। শুধু তাই নয়, রাজ্যের অন্যান্য কেন্দ্রের প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।
ভবানীপুরকে ঘিরে এবার রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। এই কেন্দ্র থেকেই মূল লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছেন দুই হেভিওয়েট—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee) এবং বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari)। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই কেন্দ্রকে ‘প্রেস্টিজ ফাইট’ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম (Nandigram)-এ নাটকীয় পরিস্থিতির সাক্ষী ছিল গোটা রাজ্য। প্রথমে জয়ী ঘোষণা হলেও শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবং জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ফলাফল ঘিরে বিতর্ক, অভিযোগ এবং আইনি লড়াই পর্যন্ত গড়ায় বিষয়টি।অতীতের সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার আরও সতর্ক তৃণমূল নেতৃত্ব।
ইতিমধ্যেই ভারচুয়াল বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন— গণনা সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন কাউন্টিং সেন্টার না ছাড়েন, এমনকি রাত গভীর হলেও। এজেন্টদের করণীয়, সতর্কতা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
এখন দেখার, ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে ভোটগণনার দিনে কী নতুন বার্তা দেন তৃণমূল সুপ্রিমো এবং শেষ পর্যন্ত কার দখলে যায় এই হাইভোল্টেজ লড়াই।





