Header AD
Trending

প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে! কারা পেলেন আমন্ত্রণ?

bjp

শনিবার রাজ্যে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে ইতিমধ্যেই তুঙ্গে রাজনৈতিক উত্তেজনা। প্রথমবার বাংলার মসনদে বসতে চলেছেন কোনও BJP নেতা— আর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে তুলতে প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না গেরুয়া শিবির। রাজভবন চত্বর থেকে অনুষ্ঠান মঞ্চ— সর্বত্রই থাকছে বিশেষ সাজসজ্জা ও কড়া নিরাপত্তা। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi)। থাকবেন সরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তার পাশাপাশি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের এবং জাতীয় রাজনীতির বহু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বকে। রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও দেখা যেতে পারে অনুষ্ঠানে।

সূত্রের খবর, নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে থাকছে বিশেষ সাংস্কৃতিক পর্ব, আলোকসজ্জা এবং অতিথিদের জন্য একাধিক বিশেষ আয়োজন। ঐতিহাসিক এই ক্ষমতা পরিবর্তনের সাক্ষী থাকতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় জমার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এই শপথগ্রহণ এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে।

জানা যাচ্ছে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে সৌজন্যের রাজনীতির বার্তা দিতেও উদ্যোগী গেরুয়া শিবির। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। আমন্ত্রণ পেতে পারেন প্রবীণ বাম নেতা ও বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। রীতি মেনেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কেও। এছাড়াও রাজ্য কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। রাজ্যের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, শিল্পী, সাহিত্যিক এবং সাংস্কৃতিক জগতের বহু পরিচিত মুখকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে অনুষ্ঠানে। সূত্রের খবর, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মিঠুন চক্রবর্তী, মমতা শঙ্কর সহ সাংস্কৃতিক জগতের একাধিক ব্যক্তিত্বকে।

নির্বাচনের প্রচারপর্বের শুরু থেকেই বাঙালিয়ানাকে সামনে রেখে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বিজেপি। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানেও থাকছে সেই সাংস্কৃতিক আবহের ছাপ। বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে নতুন বিজেপি সরকারের শপথ হচ্ছে রবীন্দ্র জয়ন্তী-র দিনেই। আর সেই কারণেই গোটা অনুষ্ঠানজুড়ে তুলে ধরা হচ্ছে বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গ। শপথের আগে মূল মঞ্চে পরিবেশিত হতে পারে রবীন্দ্রসঙ্গীত । অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ আসন বিন্যাসও। ‘ভিভিআইপি’ অতিথিরা থাকবেন মূল মঞ্চেই। মঞ্চের সামনের নির্দিষ্ট অংশে বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বিশিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য।

শনিবারের ঐতিহাসিক শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড -এই মুখ্যমন্ত্রী, উপমুখ্যমন্ত্রী-সহ একাধিক মন্ত্রী শপথ নিতে পারেন। ইতিমধ্যেই সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার তালিকা নিয়ে জোরদার আলোচনা শুরু হয়েছে গেরুয়া শিবিরে। কারা প্রথম সারির দায়িত্ব পাবেন, কোন মুখ জায়গা পেতে চলেছে নতুন মন্ত্রিসভায়— তা নিয়েই এখন তুমুল জল্পনা রাজনৈতিক মহলের অন্দরে।