কবিপ্রণাম করেই তৃণমূলের নৈতিক আন্দোলন শুরু হচ্ছে৷’রাজ্যের নবনির্মিত প্রশাসন রবীন্দ্র জয়ন্তী পালনের অনুমতি অস্বীকার করেছে।‘ এর পরিপ্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংলগ্ন জায়গায় রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন হবে ৷ তারপর রাজপথে নেমে আন্দোলন৷
অত্যাচারিত কর্মী ও পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানো, ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো— এসব কাজে গতি বাড়ানোর পাশাপাশি ফের রাজপথে তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)৷ দলনেত্রী নিজেই একাধিক পরিকল্পনা রেখেছেন৷ সঙ্গে থাকছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)৷
উল্লেখ্য রবীন্দ্র জয়ন্তীর মত অরাজনৈতিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও অনুমতি দিল না প্রশাসন। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কালীঘাটের (Kalighat) বাড়ি সংলগ্ন জায়গাতেই শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তী (Rabindra Jayanti) পালনের সিদ্ধান্ত তৃণমূলের।এর প্রতিবাদে তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে লেখা হয়েছে, ‘এটাই ‘নতুন বাংলা’ – এটাই সেই মহান ‘পরিবর্তন’।অ-রাজনৈতিক সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে তিনটি ভিন্ন স্থানের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু সবকটির অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। তাই, আমরা আমাদের মাননীয়া দলনেত্রীর বাসভবন সংলগ্ন এলাকায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি সম্মান জানাতে এই উদযাপন চালিয়ে যাব।বাংলা-বিরোধী বিজেপি আমাদের কথা মিলিয়ে নেবেন, আমাদের হৃদয় ও আত্মা থেকে আপনারা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে মুছে ফেলতে পারবেন না’।
শনিবারের অনুষ্ঠান উপলক্ষে গান গাইবেন ইন্দ্রনীল সেন, বাবুল সুপ্রিয়-সহ একাধিক শিল্পী৷ দলের মধ্যেই রয়েছেন একাধিক শিল্পী ও সংস্কৃতিমনস্করা৷ তাঁদের রবীন্দ্রস্মরণেই বাঙ্ময় হয়ে উঠবে শনিবার৷
পাশাপাশি নির্বাচনে বিজেপি কমিশনের মিলিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে এদিন পথে নামছে তৃণমূল। দলীয় সূত্রে খবর, বেশ কয়েকটি ইস্যুতে চলবে আন্দোলন। তার মধ্যে রয়েছে বিজেপি (BJP) ও নির্বাচন কমিশন হাত মিলিয়ে ভোট লুঠ করা। এস আই আর-এয়কয়েক লক্ষ বৈধ ভোটার বাদ। ইভিএমে পরিকল্পিত কারচুপি।গণনার দিন সন্ত্রাস করে তৃণমূলের প্রার্থী ও এজেন্টদের বার করে দিয়ে ভোট লুঠ। কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও এই কাজে লাগানো। বহু এলাকায় মানুষও স্পষ্টভাবে অনুভব করছেন তাঁরা যা ভোট দিয়েছেন, সেই এলাকার ফলের সঙ্গে মিলছে না। রাজ্যে তৃণমূল ও বিজেপির মোট ভোটের যেটুকু পার্থক্য, তার চেয়ে বেশি ভোটার বাদ এবং অনেক বেশি ভোট ইভিএম কারচুপি ও গণনায় লুঠে ম্যানেজ করেছে বিজেপি।
এসব তথ্য সামনে নিয়ে যেমন পথে নেমে আন্দোলন হবে, তেমনই পাশাপাশি চলবে আইনি লড়াইও৷





