আগামী ১৮ জুন থেকে শুরু হচ্ছে রাজ্যের বাজেট অধিবেশন (Budget 2026)। শুক্রবার বিশেষ অধিবেশনে এই ঘোষণা করেন স্পিকার রথীন্দ্র বোস। জানা গিয়েছে, ২২ জুন বিধানসভায় পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে নতুন সরকার। বাংলার ক্ষমতায় আসার পর এটাই BJP সরকারের প্রথম বাজেট, ফলে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তা নিয়ে আগ্রহ তুঙ্গে। এদিন বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বিরোধীদের উদ্দেশে বলেন, গণতন্ত্রে বিরোধিতা স্বাভাবিক হলেও তা যেন ইতিবাচক ও গঠনমূলক হয়, সেই দিকেই গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
বিধানসভা নির্বাচন থাকায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আগের সরকার নিয়ম মেনে ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ করেছিল, যার মেয়াদ ছিল চার মাস। এবার পূর্ণাঙ্গ বাজেট তৈরির জন্য ইতিমধ্যেই সব দপ্তরকে প্রস্তুতি শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। সূত্রের খবর, নতুন সরকারের অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলিকে সামনে রেখেই বাজেটের খসড়া তৈরি করা হচ্ছে।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার উপর জোর দিচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে ঋণের বোঝা কমানো এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে, যাতে দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গড়ে তোলা যায়। এই বিষয়গুলি নিয়ে অর্থদপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল (Chief Secretary Manoj Agarwal)।
এছাড়া সরকারি খরচে অপচয় রুখতেও সব দপ্তরকে সতর্ক করা হয়েছে। ভোট অন অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর। বিশেষ করে প্রায় ৪ লক্ষ কোটি টাকার বাজেটে পরিকাঠামো খাতে মাত্র ৪১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হওয়ায় প্রশাসনের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে। তাই আসন্ন বাজেটে প্রশাসনিক ও আর্থিক সংস্কারের দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন দপ্তরকে।





