মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর শনিবার প্রথম জেলা সফরে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তাঁর জেলাসফর শুরু হল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা এলাকা ডায়মন্ড হারবার থেকে। এদিন ডায়মন্ড হারবারে রাজ্যের সব জেলার পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই এবার আর জি করের পর কাটমানি ফাইলস খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হকার-অটো চালকদের থেকে তোলা আদায়। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারী প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। অভিযোগ উঠলেই কড়া ব্যবস্থার নির্দেশ দিলেন। এছাড়াও ভোট পরবর্তী হিংসা, নারী নির্যাতন, পুলিশের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর।
‘সাগরিকা’ সরকারি টুরিস্ট হলে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক ও ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার ও অন্যান্য আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠকে করেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী চারস্তরে অভিযোগ জানানোর কথা বলেছেন। রাজনৈতিক হিংসা। পুলিশি অত্যাচার। কাটমানির অভিযোগ। মহিলারাদের উপর অত্যাচার। এই চারটি স্তরের অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। রাজ্য পুলিশের ডিজিপি, মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাজ্য পুলিশের আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শেষ ৫ বছরে রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ থাকলে এফআইআর দায়ের করা যাবে। ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। স্থানীয়স্তরের পুলিশ আধিকারিক বা উচ্চস্তরের পুলিশকর্তারা থানায় ডেকে অত্যাচার করে থাকলে জানানো যাবে সেই অভিযোগও।
বৈঠকের পর তিনি জানালেন, পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী কাজ করবে। পাশাপাশি মহিলারা অত্যাচার, নির্যাতন শিকার হলে সেই অভিযোগও করা যাবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নির্যাতনের অভিযোগ আপসে মিটিয়ে নেওয়ার অভিযোগ থাকলে এফআইআর দায়ের করা যাবে।” তবে ভুয়ো অভিযোগ দায়ের হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। তিনি বলেন, “আমি বলছি বলে ভুয়ো অভিযোগ দায়ের হবে তেমনটা নয়। অভিযোগ ভুয়ো হলে বিএনএস আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনে সে কথাও বলা আছে।”





