Header AD
Trending

সিআইডির পর এবার ইডি! প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা অভিষেকের

ab-ranibandh

প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোমবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।তাঁকে তলব করেছিল ইডি(ED- Enforcement Directorate)। বেলা ১১টা নাগাদ তাঁকে ডাকা হয়েছিল। সময়ের কিছু আগেই অভিষেক পৌঁছে যান ইডি দপ্তরে। ইডি সূত্রে খবর, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এদিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে।ইতিপূর্বে এই মামলায় নাম জড়িয়েছিল ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত গরমিল নিয়ে তাঁকে জেরা করা হতে পারে বলেই খবর। বলে রাখা ভালো, এই মামলায় রক্ষাকবচ নেই অভিষেকের। সিজিও কমপ্লেক্সে প্রবেশের সময় এ বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

বলে রাখা প্রয়োজন, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিকবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র নাম উঠে আসে। এই সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির অভিযোগ, এই সংস্থায় শিক্ষা দুর্নীতির কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। শুধু তাই নয়, কালো টাকা সাদা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। একাধিকবার এই বিষয়ে জেরাও করা হয় সাংসদকে। যদিও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

উল্লেখ্য বিধানসভায় সই জাল কাণ্ডে রবিবার ফের ভবানী ভবনের সিআইডি(CID) দপ্তরে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক। এদিন দীর্ঘ সাড়ে আট ঘণ্টা সেখানে তাঁকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষকেও ডেকেছিল সিআইডি। সূত্রের দাবি, দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সেখান থেকে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে বৈঠকে অংশ নিতে চলে গিয়েছিলেন অভিষেক। তার পর সোমবার সকালে তিনি গেলেন ইডি দপ্তরে। মঙ্গলবারও অভিষেককে তলব করেছে সিআইডি।

অন্যদিকে ভোটের প্রচারে করা একটি মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সল্টলেকে দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে অভিষেককে বুধবার ফের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা। বিধানসভায় সই কাণ্ডে অভিষেককে তদন্তে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। পাশাপাশি বিচারপতি জানিয়েছিলেন, আগামী দু’সপ্তাহ তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করতে পারবে না তদন্তকারী সংস্থা। তবে প্রাথমিক মামলা এবং সল্টলেকের ওই মামলায় অভিষেকের কোনও রক্ষাকবচ নেই।