বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পরেই, রবিবারই ঘটনাস্থলে যেতে চেয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। অভিযোগ করেছিলেন,বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে তাঁকে হাউজ অ্যারেস্ট করে যেতে দেওয়া হয়নি।নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন রবিবার। সোমবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দল যায় বারুইপুর। নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে। ফোনে কথা বলেন খোদ মমতাও। তাঁরা কলকাতায় ফিরতেই, মোমবাতি হাতে পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী। স্লোগান তুললেন ‘আমার সুর, তোমার সুর, জাস্টিস ফর বারুইপুর।
দু’বছর আগে ‘জাস্টিস’, ‘রাতদখল’ শব্দগুলো যেন শেল হয়ে বিঁধত। শুনলেই মেজাজ হারাতেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৪ সালে আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের সুবিচার চেয়ে পথে নামা আন্দোলনকে ‘হুজুগ’ বলে মনে করতেন। আন্দোলনকারীদের কাউকে নকশাল, কাউকে অতি বাম বলে দাগিয়ে দিতে পিছপা হননি। ‘জাস্টিস ফর আর জি কর’ স্লোগান শুনলে সপাটে জবাব দিতেন, জাস্টিস তো পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।অথচ ২০২৬ সালে সেই ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানকে হাতিয়ার করেই রাজনীতির ময়দানে যেন গুরুত্ব ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করলেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
সোমবার ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট থেকে বেরিয়ে মিছিল গলির মোড়ে এলে, প্রাথমিকভাবে পুলিশের তরফে বাধা দেওয়া হয় মিছিলে। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে কথা বলার পর, ছেড়ে দেওয়া হয়।কিন্তু আর জি কর আন্দোলনের ধাঁচ থেকে স্লোগান – সবেতেই তো সেই পূর্ব আন্দোলনের ছায়া!এতদিনের জননেত্রীর এই অন্যকে অনুসরণ করার প্রয়োজন পড়ল কেন? উঠছে সেই প্রশ্ন।




