Header AD
Trending

রাজ্যজুড়ে শুরু ১৬তম সেনশাস, প্রথমবার সেলফ-এনুমারেশনের সুযোগ! ‘ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হবে না’, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

census suvendu

শনিবার, ১ অগাস্ট রাজ্যজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল ১৬তম জনগণনার কাজ। এবারই প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে সাধারণ মানুষ নিজেরাই সেলফ-এনুমারেশন করে অনলাইনে তথ্য জমা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। শনিবার নবান্নে বসে স্ব-গণনার (সেলফ-এনুমারেশন) মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ার সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)।একই সঙ্গে নাগরিকদের উদ্দেশে তাঁর আবেদন , “নিজেরা ফর্ম পূরণ করুন। কোনও ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হবে না।”

এই উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এবারের জনগণনার দুটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথমত, পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর। দ্বিতীয়ত, নাগরিকরা চাইলে নিজেরাই অনলাইনে নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করতে পারবেন। তিনি বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি নিজেও স্ব-গণনার মাধ্যমে অংশ নিয়েছেন এবং সকলকে এই উদ্যোগে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

তিনি জানান, জনগণনার কাজে রাজ্যজুড়ে প্রায় ১৪ হাজার ৩৯৯ জন সরকারি কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩ হাজার ৪০০ জন সুপারভাইজারের দায়িত্ব পালন করবেন। সাধারণ মানুষের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী আবেদন জানান, সম্ভব হলে নিজেরাই অনলাইনে তথ্য জমা দিন। একইসঙ্গে তিনি আশ্বস্ত করেন, নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে এবং কোনও তথ্য ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা নেই।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই জনগণনা দেশের জনকল্যাণ ও উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে এই উদ্যোগ সফল হোক, সেটাই তাঁর প্রত্যাশা।

জানা গিয়েছে, অনলাইনে আবেদনকারীদের মোট ৩৪টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এর মাধ্যমে পরিবারের পাশাপাশি বাসস্থানের সম্পর্কিত তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। স্বাধীনতার পর এটি দেশের অষ্টম জনগণনা। প্রথম ধাপে ‘স্ব-সুমারি’ বা সেলফ-এনুমারেশনের কাজ চলবে আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত। নাগরিকরা আদমসুমারির নির্দিষ্ট পোর্টালে (https://se.census.gov.in) প্রবেশ করে মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই সহজে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন।

এরপর ১৬ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ‘ফিল্ড এনুমারেশন’ পর্যায়ে কলকাতাসহ রাজ্যের প্রতিটি জেলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন এই কাজে নিযুক্ত সরকারি কর্মীরা। দ্বিতীয় ধাপে লিঙ্গভিত্তিক জনসংখ্যার তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।