রবিবার মাঝরাতে আনন্দপুরের একটি মোমো গোডাউনে বিধ্বংসী আগুনে লাগে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। কিন্তু সরু গলির মধ্যে এই কারখানা হওয়ায় আগুন নেভাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় দমকল কর্মীদের। এদিকে ঘটনার পর থেকে খোঁজ মিলেছে না গোডাউনে কর্মরত ছয় নিরাপত্তাকর্মীর। জানা যাচ্ছে, রাতে ওই কারখানার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তাঁরা। ফলে তাঁদের নিয়ে ক্রমশ উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের ।
আনন্দপুরের নাজিরাবাদ রোডে ব্র্যান্ডেড মোমোর এই গোডাউনটি রয়েছে। জানা যাচ্ছে এখানে মোমো মজুত করা হয় এবং পরবর্তীতে এখান থেকেই সাপ্লাই করা হয়। স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার রাত তিনটের দিকে এই আগুন লাগে। ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর দেওয়া হয় দমকল এবং পুলিশে। আগুনের তীব্রতা দেখে দমকলের ১২টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। কিন্তু ততক্ষণে আগুন ভয়ঙ্কর আকার নেয়। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। ঘটনার পর থেকে বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলেই দাবি স্থানীয়দের। ইতিমধ্যে গোডাউনের একটি অংশ সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। পুড়ে গিয়েছে সেখানে থাকা বাইক-সহ সরঞ্জামও।কিন্তু এই আগুন কীভাবে লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রাথমিকভাবে অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লাগতে পারে। দমকলের কথায়, সেখানে প্রচুর পরিমাণে পাম তেল মজুত ছিল। রাখা ছিল একাধিক দাহ্য পদার্থও। ফলে আগুন ভয়াবহ আকার নেয়। এদিকে নিখোঁজ ছয় কর্মীর পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে কারোর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। বন্ধ রয়েছে ফোনও। ফলে ঘটনার মুহূর্তে তাঁদের অবস্থান নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।





