২০২৪ সালে বাংলাদেশে (Bangladesh) রাজনৈতিক অস্থিরতার আবহে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি করেছিল। শেখ হাসিনা (Sekh Hasina) সরকারের পতনের পর উত্তেজনার মধ্যেই হবিগঞ্জে হিন্দু পুলিশ কর্মী সন্তোষ চৌধুরিকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ ওঠে এক ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আহমেদ রাজা হাসান মেহেদি নামে ওই ছাত্রনেতা ভারতে আত্মগোপন করে ছিলেন। ইউরোপে পালানোর পরিকল্পনা থাকলেও শেষরক্ষা হয়নি। দিল্লি বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। বাংলাদেশ পুলিশের ‘ওয়ান্টেড’ তালিকায় নাম থাকায় পরে তাঁকে সে দেশেই ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে খবর।
উল্লেখ্য, সন্তোষ চৌধুরি হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানার সাব-ইন্সপেক্টর ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থানার ভেতরেই তাঁকে গণপিটুনি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর তাঁকে জীবন্ত জ্বালিয়ে হত্যা করা হয়। পরে অগ্নিদগ্ধ দেহ একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়। এই নৃশংস ঘটনায় আন্তর্জাতিক স্তরেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তদন্তে জানা যায়, ওই হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ছিলেন মেহেদি। এমনকী তিনি একটি ভিডিওতে নিজের জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেছিলেন বলে সূত্রের দাবি।





