Header AD

‘ভোটের আগে অনেককে গ্রেপ্তারের ছক! তালিকা পেয়েছি, ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়ব’, মুরারইতে হুঙ্কার মমতার

cm murarai

ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে ৮০০-র বেশি তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা রয়েছে। এই আশঙ্কায় সোমবারই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। সোমবার এই ইস্যুতে বীরভূমের মুরারইয়ের জনসভা থেকে গর্জে উঠলেন তৃণমুল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মমতা হুঙ্কার দিয়ে বলেন, ‘‘খবর পেয়েছি ইলেকশনের আগে অনেককে গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা করেছে। লিস্ট আমি পেয়ে গিয়েছি। ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়ব। শুধু তৃণমূলকে টার্গেট করেছে। এই বীরভূম থেকে এক নেতা লড়ছে। কোটি কোটি টাকা কয়লা থেকে খায়। ভদ্রতা করে নাম বলছি না। সবচেয়ে বড় ডাকাত,দুরাচারী তো বিজেপি।’’এদিনের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) নির্বাচনী প্রচারে এসে ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি।

উল্লেখ্য রবিবার ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ঝালমুড়ি খান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিনের সভা থেকে তাঁকে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, ‘‘সব সাজানো। ১০ টাকা কখনও থাকে ওনার পকেটে ? কত নাটক! ঝালমুড়িটাও নিজেদের তৈরি করা। তা না হলে দোকানে আগে থেকে ক্যামেরা ফিট করা থাকল কী করে?’’এ প্রসঙ্গে মমতার হুঁশিয়ারি, ‘‘যাঁরা বিজেপির হয়ে কাজ করছ, আগামী দিনে যেখানেই থাকো, খুঁজে বার করব আর নারকেলের নাড়ু খাওয়াব।’’

সভা থেকে দলীয় কর্মীদের ফের সতর্ক করে মমতা বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইভিএম লুট করার। আমাদের কাছে খবর আসছে। গণনার মেশিনে যারা ভোট গুনতে যাবেন, তাঁরা বিষয়টি নজরে রাখবেন। কেউ ১০০ পেলে ওরা কম্পিউটারে তুলবে পাঁচ। দেখে নেবেন। যত ক্ষণ না কম্পিউটারে ভোট না তোলা হবে, কেউ হাল ছাড়বেন না। লড়ে যাবেন। যুদ্ধ জয় করতে হবে।’’বাংলা জয়ের পর দিল্লি জয়ের বার্তাও দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর কথায়, ‘‘অহঙ্কারের পতন হবেই। বাংলায় জিতে আমরা দিল্লি দখল করব। গণতন্ত্রের জয় হবে।’’

মুরারইয়ের সভা থেকে সেখানকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি নিয়েও এদিন প্রতিশ্রুতি দেন মমতা। তিনি বলেন, ‘‘আপনাদের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল, দ্বারকেশ্বর নদীর উপর একটা স্থায়ী সেতু নির্মাণ। আমরা সেতু তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি। প্রাথমিক রিপোর্টও তৈরি হয়ে গিয়েছে। ৫৬ কোটি টাকার বেশি খরচ হবে। ভোটের জন্য কাজ শুরু করতে পারিনি। ভোট মিটলেই কাজ শুরু হয়ে গেলে। পুরাতনগ্রাম থেকে সেকেন্ডা পর্যন্ত সেতুটা হবে। সাধারণ মানুষের অনেক সুবিধা হবে। স্থানীয় ব্যবসায় উন্নতি হবে।’’