বিধানসভায় (Legislative Assembly) এবার বড়সড় পরিবর্তনের পথে রাজ্য সরকার। প্রথমবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি সরকার গঠনের পর প্রশাসনিক আধুনিকীকরণে জোর দেওয়া হচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই বিধানসভাকে সম্পূর্ণ পেপারলেস বা ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক নবনির্বাচিত বিধায়কদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিরও পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিধানসভার নবনির্বচিত স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বোস (Rathindranath Bose)।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্পিকার রথীন্দ্র বোস জানান, বর্তমান বিধানসভায় প্রায় ২০০ জন নতুন বিধায়ক রয়েছেন। তাঁদের সংসদীয় কার্যপ্রণালী সম্পর্কে আরও দক্ষ করে তুলতে বাজেট অধিবেশনের পর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং লোকসভার স্পিকাররাও।
স্পিকারের কথায়, ই-বিধানসভার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বিধানসভার যাবতীয় নথি ও তথ্য ডিজিটাল মাধ্যমে সহজেই পাওয়া যাবে। এতে যেমন কাজের গতি বাড়বে, তেমনই স্বচ্ছতাও নিশ্চিত হবে। সকল সদস্য এবং সাধারণ মানুষ এই ব্যবস্থার সুফল পাবেন বলেই মনে করছেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ১৫ মে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অষ্টাদশ বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হন রথীন্দ্রনাথ বোস। সেই দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, ভবিষ্যতে বিধানসভার গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন, বিশেষ করে বাজেট অধিবেশন, সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। তাঁর মতে, জনগণের জানা উচিত তাঁদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা বিধানসভায় কীভাবে কাজ করছেন এবং সরকার ও বিরোধীরা কী ভূমিকা পালন করছেন।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু রাজনৈতিক বিরোধিতা নয়, গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে বিধানসভাকে আরও কার্যকর ও সমৃদ্ধ করে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। স্পিকারের সাম্প্রতিক ঘোষণাতেও সেই বার্তাই স্পষ্ট হয়েছে।





