রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনিক ব্যস্ততার মাঝেই এবার সরাসরি জনসংযোগে জোর দিল নব গঠিত বিজেপি সরকার। সোমবার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে প্রথমবার‘জনতার দরবারে’ হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।সরকার গঠনের পর সাধারণ মানুষের সমস্যা সরাসরি শুনতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি। প্রথমদিনই মুখ্যমন্ত্রী শুনলেন সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগের কথা।
এদিন সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনি সেখানে পৌঁছতেই দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস চোখে পড়ে। ফুল, স্লোগান ও করতালিতে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। এদিনের ‘জনতার দরবারে’ শুরু থেকেই ছিল ব্যাপক ভিড়। সবচেয়ে বেশি নজরে পড়ে চাকরিপ্রার্থীদের উপস্থিতি। দীর্ঘদিনের বেকারত্ব, নিয়োগ জট এবং বিভিন্ন দপ্তরে চাকরির দাবিতে বহু যুবক-যুবতী মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন বলে জানা গিয়েছে। কেউ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন, কেউ আবার গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি পদে দ্রুত নিয়োগের দাবি তুলেছেন।
শুধু চাকরির দাবিই নয়, স্থানীয় স্তরের একাধিক প্রশাসনিক অভিযোগও এদিন তুলে ধরা হয়। রাস্তা, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগ নিয়েও বহু মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন। সব অভিযোগ মন দিয়ে শোনেন শুভেন্দু। বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে উপস্থিত আধিকারিকদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
প্রসঙ্গত যোগী রাজ্যের ধাঁচে গঠিত এই জনতার দরবার এবার থেকে নিয়ম মেনে বসবে বলেও জানা গিয়েছে। এই দরবার থেকে সাধারণ মানুষ কতটা উপকৃত হন এখন সেটাই দেখার।





