প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে তল্লাশির পর অবশেষে মহারাষ্ট্রের মুম্বই থেকে গ্রেপ্তার করা হল হাওড়ার পলাতক TMC নেতা শমিম আহমেদ ওরফে ‘বড়ে’-কে। তাঁর সঙ্গে ধরা পড়েছে দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী জাভেদ আখতার এবং ক্রান্তিও। ভোট-পরবর্তী হিংসা, বোমাবাজি ও গুলিচালনার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মুম্বই অপরাধদমন শাখা এবং হাওড়া সিটি পুলিশের যৌথ অভিযানে বৃহস্পতিবার ওই তিন জনকে পাকড়াও করা হয়। বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই তাঁরা আত্মগোপনে ছিলেন বলে অভিযোগ।
এর আগে গত ৯ মে বড়ের শিবপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল পুলিশ। সেই সময় তিনি অধরা ছিলেন। তল্লাশির পর একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসে, যেখানে দেখা যায় তাঁর তিনতলা বাড়িতে রয়েছে গোপন সিঁড়ির ব্যবস্থা। অভিযোগ, তিনতলার সাধারণ ঘর থেকে সেই গোপন পথ ধরে নীচের তলায় পৌঁছনো যেত, যেখানে বিলাসবহুল সাজসজ্জা ও দামি সামগ্রী মজুত ছিল।
শিবপুর থানার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত বড়ের বাড়িকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, তাঁর মদতেই ভোটের পরে বিরোধী কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়ের সঙ্গে বড়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগও তুলেছে বিরোধীরা।
উল্লেখ্য , বছর তিনেক আগে রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলার মামলায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এন আই এর (National Investigation Agency) হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বড়ে।
পুলিশ জানিয়েছে, শিবপুর থানায় দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে। ধৃতদের হাওড়ায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।





