Header AD
Trending

২১ জুলাইয়ের আগে ধর্মতলায় জমায়েতে ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে কালীঘাট তৃণমূল

tmc highcourt

২১ জুলাইয়ের শহিদ স্মরণ কর্মসূচিকে ঘিরে নতুন করে আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস চত্বরে টানা ৬০ দিনের জন্য জমায়েত নিষিদ্ধ করার কলকাতা পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল তথা মমতাপন্থী তৃণমূল । সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে বিষয়টি উত্থাপন করা হলে আদালত মামলা দায়েরের অনুমতি দেয়। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে তৃণমূল কংগ্রেস ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি ভিক্টোরিয়া হাউস সংলগ্ন এলাকাতেই পালন করে এসেছে। এই বছরও একই স্থানে ‘শহিদ স্মরণ’ কর্মসূচির অনুমতি চাওয়া হলেও তা মেলেনি। এরই মধ্যে ওই এলাকায় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।

কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন হাই কোর্টে (Kolkata High Court)আবেদন করেন। তাঁর হয়ে আদালতে সওয়াল করেন সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, কলকাতা পুলিশের এই সিদ্ধান্ত নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করছে এবং আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

অন্যদিকে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের দুই শিবির—ঋতব্রত গোষ্ঠী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) শিবির—আলাদা করে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েছিল। পুলিশ ধর্মতলায় কোনও কর্মসূচির অনুমতি না দিয়ে বিকল্প স্থানের কথা জানায়। পরে ঋতব্রতপন্থীরা রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তার সঙ্গে বৈঠক করে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সভার অনুমতি পেয়েছে বলে জানা গেছে। তবে কালীঘাট তৃণমূলের কর্মসূচি কোথায় হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, কলকাতা পুলিশের জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা কার্যকর রয়েছে। এই ধারার আওতায় চার বা তার বেশি ব্যক্তির জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা এলাকাগুলির মধ্যে ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস চত্বরও রয়েছে। আর সেই সময়সীমার মধ্যেই রয়েছে তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি, যা ঘিরেই এবার আইনি বিতর্কের সূত্রপাত।