ছাব্বিশের ভোটে ভরাডুবির পর একমাসও পেরোয়নি। তবে এই কয়েকদিনেই তৃণমূল কার্যত ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। কালীঘাটের বৈঠকে দেখা মিলছে না অধিকাংশ বিধায়কের। প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন একাধিক নেতা। সোনারপুরে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই হামলা, রিগিং, ভোট পরবর্তী হিংসা, এসআইআর-সহ একাধিক ইস্যুর প্রতিবাদে ধর্মতলায় রানি রাসমণি রোডে ধর্নার ডাক দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ।আজ মঙ্গলবার সেই ধরনা কর্মসূচি রয়েছে। তবে এই কর্মসূচি ঘিরে ইতিমধ্যেই সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে ধরনা কর্মসূচিকে ঘিরে গুটিকয় দলীয় নেতাকর্মী জমায়েত করেন ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে। সূত্রের খবর পুলিশ রানি রাসমণি রোডে ধর্নার অনুমতি দেয়নি। বিকল্প হিসাবে ‘Y’ চ্যানেলে বসার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সময় বেঁধে দেওয়া হয় ২ ঘণ্টা। পরবর্তীতে শোনা যায়, মিছিলে হাঁটবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।এদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকেই কালীঘাটে চলছে বৈঠক। রয়েছেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ, সাংসদ দোলা সেন-সহ অন্যান্যরা। সূত্রের খবর, আদৌ ক’জন এই কর্মসূচিতে শামিল হবেন, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন দলের নেতারা।
যদিও এরই মধ্যে ফেসবুক পোস্টে কর্মীদের Y চ্যানেলে সমবেত হওয়ার বার্তা দিয়েছে তৃণমূল। দলের তরফে কর্মীদের আশ্বস্ত করে লেখা হয়েছে, ‘শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বানে রানি রাসমণি রোডের প্রতিবাদী সমাবেশে যাঁরা যোগ দিচ্ছেন- তাঁদের যদি পুলিশ ও প্রশাসন কোনও ধরনের প্রতিবন্ধকতা বা বাধা সৃষ্টি করে, বিচলিত হবেন না। সকলে ধর্মতলার ‘ওয়াই চ্যানেল’ (Y-Channel)-এ সমবেত হোন।’

তবে সূত্রের খবর এরই মধ্যে ধরনা কর্মসূচিতে যোগ দিতে রওনা দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলত ভোটে ভরাডুবির পর আজকের এই কর্মসূচিকে কার্যত তৃণমূলের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হিসাবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।





