বাংলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। এই আবহে সব রাজনৈতিক দলের প্রস্তুতিও তুঙ্গে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সোমবার দিনের দ্বিতীয় জনসভা করেন রানাঘাটের নাসড়া হাই স্কুল মাঠে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে রানাঘাটের মাটি থেকে নাগরিকত্ব ও মতুয়া ইস্যুতে সরব হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।মতুয়াদের ভোটাধিকার এবং সিএএ (CAA) ইস্যু তুলে তিনি বিজেপিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, তৃণমূল থাকতে একজন মতুয়া ভাইয়ের নামও ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে না।
এদিন রানাঘাটের সভা থেকে অভিষেক বলেন, “শান্তনু ঠাকুর, জগন্নাথ সরকাররা বলছেন ৫ লক্ষ মতুয়া ভাইদের নাম বাদ গেলে যাবে। কিন্তু তৃণমূলের প্রতিজ্ঞা- একজন মতুয়া ভাইয়ের নামও আমরা বাদ যেতে দেব না।” তিনি আরও যোগ করেন, “এখানকার মানুষ ভোট দিয়েছেন বলেই জগন্নাথ সরকার সাংসদ হয়েছেন এবং নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। ভোটাররা যদি অবৈধ হন, তবে প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপি সাংসদও অবৈধ।”
এদিনের সভা থেকে বিজেপির ‘লাইনের রাজনীতি’ নিয়ে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, “কথায় কথায় সাধারণ মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নোটবন্দির সময় কি প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লাইনে দাঁড়াতে দেখেছিলেন? এর কড়া জবাব দিতে হবে ভোটার লাইনে দাঁড়িয়েই।”
মতুয়াগড় রানাঘাটের সভা থেকে বিজেপি নেতাদের ‘ঘুষপেটিয়া’ মন্তব্যের পালটা জবাব দিয়ে অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, “বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে দিল্লিতে রয়েছেন। তাঁর কাছে কোনও ভিসা, পাসপোর্ট বা বৈধ নথিপত্র নেই। ২০ মাস ধরে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহের সরকার তাঁকে অবৈধভাবে রেখে দিয়েছে। তাহলে সবথেকে বড় বাংলাদেশি কে? তিনি অনুপ্রবেশকারী নাকি শরণার্থী? এর জবাব দিক বিজেপি নেতারা।” তিনি অভিযোগ করেন, এখানকার মানুষদের কাছে কাগজ চাওয়া হচ্ছে, আর শেখ হাসিনাকে বসিয়ে ইলিশ মাছ খাওয়ানো হচ্ছে। যার বৈধ কাগজ নেই তাঁকে আশ্রয় দিয়ে রাখা হয়েছে, অথচ এদেশের নাগরিকদের ভয় দেখানো হচ্ছে।





