তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) -এর সম্পত্তি নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের মাঝেই নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে এক ‘যৌথ মালিকানাধীন’ ফ্ল্যাটের প্রসঙ্গ। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, কলকাতার ১৯ডি, সেভেন ট্যাঙ্ক রোডের একটি ফ্ল্যাটে অভিষেকের পাশাপাশি মালিকানায় নাম রয়েছে যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh)-এরও। আর সেই জল্পনাকেই কেন্দ্র করে বুধবার সরব হলেন সায়নী নিজে। এর তীব্র প্রতিবাদ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন সাংসদ। পাশাপাশি কড়া আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
বুধবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সায়নী স্পষ্ট ভাষায় জানান, তাঁর নাম জড়িয়ে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি লেখেন, “কয়েকটি ফরোয়ার্ড করা মেসেজ পেলাম যেখানে জনৈক অভিষেক ব্যানার্জি এবং সায়নী ঘোষের ১৯ডি সেভেন ট্যাঙ্কস রোড, কলকাতা ৭০০০৩০ ঠিকানায় যৌথ সম্পত্তির উল্লেখ করা আছে। কোনও মোবাইল নম্বর ছাড়াই এবং প্রেমিসেসের বানানও ভুল।
আমি জানি না এই সায়নী ঘোষ কে? তবে এটা নিশ্চিত, যে সায়নী ঘোষ একটি সাধারন পরিশীলিত মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছে, যে কোনও রাজনৈতিক পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে আজ পর্যন্ত কোনও রকম সম্পত্তির অধিকারী হয়নি, সে নয়। আমি আমার কেন্দ্রের সমস্ত ভোটারদের এবং রাজ্যর সকল মানুষকে বলতে চাই, লোকসভা নির্বাচনের সময় আমার ঘোষিত এফিডেভিটে আমার আর্থিক অবস্থানের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা রাখার জন্য। আপনারা অনায়াসেই সেই রেকর্ড দেখে নিতে পারেন।
এবং সেই সঙ্গে যাঁরা কোনও রকম তথ্য প্রমাণ ছাড়া আমার মানহানি করার এই খেলা শুরু করেছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে বলি, খেলাটি এই মুহূর্তে বন্ধ করুন।”
প্রমাণ ছাড়া তাঁর নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অনুগ্রহ করে জেনে রাখুন এই মিথ্যা অপবাদের সামনে আমি কোনোভাবেই নতি স্বীকার করব না এবং মিথ্যা খবর ছড়ানোর জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ‘ঘোষ’ কোনও অন্যায় অপবাদের শিকার হয়ে, ভয় পেয়ে গুটিয়ে যেতে আসেনি।”শেষে তিনি লেখেন, “পুনশ্চ: কবিগুরুর মাটির মেয়ে হয়ে এই কথাটিকেই জীবনের মূলমন্ত্র করেছি,
চিত্ত যেথা ভয় শূণ্য, উচ্চ যেথা শির”।”






