তমলুক পুরসভার (Tamluk Municipality) প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং তমলুক সাংগঠনিক জেলার তৃণমূলের সহ-সভাপতি চঞ্চল খাঁড়াকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে আটক করা হয়। পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চঞ্চল খাঁড়ার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ আগে থেকেই ছিল। পাশাপাশি এক মহিলাকে অশালীন মন্তব্য ও ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও দায়ের হয়েছে। শুক্রবার তমলুক থানার সামনে দাঁড়িয়ে অভিযোগকারী মহিলা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখানো হতো। তাঁর অভিযোগ, মেয়েও রাস্তায় বেরোলে স্থানীয় কিছু যুবক কটূক্তি করত এবং এর পিছনে অভিযুক্ত নেতার মদত ছিল।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, তৃণমূল সরকারের আমলে চঞ্চল খাঁড়ার প্রভাবের কারণে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাননি। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের পর একে একে অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। তমলুক পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবেও পরিচিত চঞ্চল খাঁড়ার বিরুদ্ধে এলাকায় দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ছিল বলেই দাবি বাসিন্দাদের। এক স্থানীয় বাসিন্দার কথায়, “শহরের অনেক মানুষ তাঁর আচরণে বিরক্ত ছিলেন। কিন্তু প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করতে পারেননি।”
লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ তাঁর বাড়িতে যায় এবং আটক করে থানায় নিয়ে আসে। প্রায় ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার সকালে তমলুক জেলা আদালতে তোলা হয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে।





