Header AD
Trending

‘তৃণমূল করা মৃত্যুকে আমন্ত্রণ জানানোর সমান!প্রশাসন নিশ্চুপ কেন? ভোটপরবর্তী হিংসায় ক্ষোভপ্রকাশ অভিষেকের

Abhishek Banerjee Balarampur

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক হিংসায় দিকে দিকে আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীরা! এবার তাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও ন্যায়বিচার মিলছে না। বিচারের দাবিতে কান্না ‘বধির’দের কান পর্যন্ত পৌঁছচ্ছে না বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফুঁসে উঠলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, বিজেপির দুষ্কৃতীদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন দলের দুই কর্মী।

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডলে ওই দুই কর্মীর নাম, ঠিকানা দিয়ে হামলার অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে।মৃতরা হলেন, সপ্তগ্রামের সোমনাথ আচার্য এবং চাকদহের তপন সিকদার। মৃত দুজনেই দলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। অভিষেক জানিয়েছেন, শোকস্তব্ধ শহিদ পরিবারগুলির বর্তমানে একটাই প্রশ্ন, বিজেপির বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করা কি হিংসা, অত্যাচার ও মৃত্যুকে আমন্ত্রণ জানানোর সমান? তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘‘রাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু প্রশাসন নীরব। দুই কর্মীর পরিবার একটাই প্রশ্ন করছেন, তৃণমূলকে সমর্থন করাই কি অপরাধ ছিল তাদের?’’ তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার পরেও পুলিশ নিষ্ক্রিয়। আদালত নীরব দর্শকের ভূমিকায়। বিজেপি নেতারা জয় উদ্‌যাপনে ব্যস্ত। প্রধানমন্ত্রী তাঁর পরবর্তী বিদেশ সফরের পরিকল্পনা করছেন। আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও এই ঘটনায় চুপ। আশ্চর্যজনক ভাবে সকলে নীরব। আর বিজেপির হিংসার রাজনীতির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

গত বুধবার পোলবায় বাড়ির কাছেই আক্রান্ত হন দুই যুবক। এক জনের মৃত্যু হয় আরজি কর হাসপাতালে। অন্য জন চিকিৎসাধীন। অন্যদিকে গত মঙ্গলবার চাকদহের সিলিন্দা বাজারে তৃণমূল কর্মী তপন শিকদারকে মারধরের অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তপনকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এবং পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সেখানেই তিনি মারা যান। যদিও তপনের উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।