Header AD

ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন দিগন্ত! মুখ্যমন্ত্রীর কথায় গঠিত হল‘পশ্চিমবঙ্গ ব্যবসায়ী কল্যাণ বোর্ড’

রাজ্যের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি ব্যবসায়ী সমাজ। এই ব্যবসায়ী সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি এবার পূরণ করল রাজ্য সরকার। ডিসেম্বর ২০২৫-এ আয়োজিত স্টেট ট্রেডার্স কনভেনশন এবং বিজনেস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি কনক্লেভে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করা হল ‘পশ্চিমবঙ্গ ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড’ (WBTWB)। বৃহস্পতিবার এই বোর্ড গঠনের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে এই বিষয়ে বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকার যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা বাস্তবায়ন করতেই তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। তাঁর কথায়, এই বোর্ড তৈরি হওয়ার ফলে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ ব্যবসায়ীর দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হল। এখানে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার পাশাপাশি তাঁদের অভিযোগ ও মতামত সরকারি স্তরে জানানোর একটি সুসংগঠিত মঞ্চ তৈরি হবে।
উল্লেখ্য, ব্যবসায়ী সম্প্রদায় যাতে দ্রুত নিজেদের সমস্যার সমাধান করতে পারেন এবং সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ডিসেম্বর ২০২৫-এ ব্যবসায়ী সম্মেলন এবং শিল্প-বাণিজ্য সংক্রান্ত কনক্লেভে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়ন করেই এই বোর্ড গঠনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ব্যবসায়ী মহলের এটি বহুদিনের দাবি ছিল। নতুন এই বোর্ড ব্যবসায়ী সমাজ এবং সরকারের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা ও সমন্বয়ের একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। রাজ্যের প্রতিটি জেলা থেকে প্রতিনিধি থাকবে এই বোর্ডে, যাতে প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের সমস্যাও যথাযথ গুরুত্ব পায়।

বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন রাজ্যের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন (CWBTA)-এর সভাপতি। এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হল ব্যবসায়ী সমাজের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং তাঁদের মতামতকে নীতিনির্ধারণের সঙ্গে যুক্ত করা।

সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলার অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলতে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাঁদের পাশে থেকে একটি শক্তিশালী ও গতিশীল অর্থনৈতিক পরিবেশ তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। নতুন এই বোর্ড গঠনের ফলে ব্যবসায়ীদের প্রশাসনিক ও আইনি নানা জটিলতা দূর হবে এবং রাজ্যে ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ আরও উন্নত হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।