২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড়সড় পরিবর্তন । বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরলেন পবিত্র কর। শুভেন্দু অধিকারীর আগে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নন্দীগ্রামের পরিচিত নেতা পবিত্র কর। তিনি আবার ঘাসফুল শিবিরে ফিরলেন। মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) অফিসে গিয়ে তাঁর হাত থেকে দলীয় পতাকা গ্রহণ করেন তিনি।

পবিত্রর এই প্রত্যাবর্তনের পরই নন্দীগ্রামে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকেই কি শুভেন্দু অধিকারীর (Shubhendu Adhikary) প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরবে তৃণমূল? এই প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে।
উল্লেখ্য, এদিন তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার ঠিক আগে বিভিন্ন ক্ষেত্রের একাধিক পরিচিত মুখ দলে যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল। পাশাপাশি ঝাড়গ্রামে তৃণমূলে যোগ দেন সাধু রামচান মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন আধিকারিক মঙ্গল সোরেন এবং কৃষ্ণনগরে সমাজসেবী অভিনব ভট্টাচার্যও ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখান।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের নভেম্বরে পবিত্র কর তৃণমূল ছেড়ে তাঁর সমর্থকদের নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন। কলকাতায় তৎকালীন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বয়াল-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বজিৎ ভুঁইয়া। একই বছরের ১৯ ডিসেম্বর মেদিনীপুরে অমিত শাহের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী।

এদিকে, এতদিন পবিত্র কর বিজেপির পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর স্ত্রীও গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জিতে বয়াল-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে পবিত্রর তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন ঘিরে নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে। আসন্ন নির্বাচনে তাঁকেই কি শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মাঠে নামানো হবে, তা নিয়েই এখন জোর জল্পনা চলছে।





