Header AD

৬০ হাজারের মার্জিন চাই! ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতাকে জেতাতে টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক

abhishek banerjee

ভবানীপুরে বড় জয়ের লক্ষ্যে কোমর বেঁধে নামল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরের নেতা-কর্মী-কাউন্সিলরদের কর্মিসভায় জয় নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দেন জননেত্রী তথা এই কেন্দ্রের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এদিনের চেতলার কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বড় মার্জিনে জেতাতে টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক। কর্মীদের প্রতি অভিষেকের স্পষ্ট বার্তা জয়ের ব্যবধান বা মার্জিনে ভবানীপুরকে কলকাতাকে বাকিদের মধ্যে এক নম্বরে থাকতে হবে।ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের সাফ কথা, ভবানীপুরে শুধু জিতলেই হবে না, বড় ব্যবধানে জিততে হবে। আর সেই ব্যবধান হতে হবে কমপক্ষে ৬০ হাজার। পাশাপাশ, সোমবার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। সেদিকে নজর রাখা সহ একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এদিনের সভা থেকে অভিষেক তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “গতবার ভবানীপুরের ২৩১টি বুথে যে লিড ছিল, এবার তা ছাপিয়ে অন্তত ৬০ হাজার ভোটে জিততে হবে। কোনোভাবেই হাল্কাভাবে ভোট করা যাবে না। প্রতিটি বুথে কমপক্ষে ৫টি করে ভোট বাড়ানোর লক্ষ্য নিতে হবে কর্মীদের।” অভিষেক কর্মীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন,”যাদের এতদিন মানুষের পাশে পাওয়া যায়নি, তাঁরা এখন ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে। এই বিষয়টা মানুষকে বুঝিয়ে বলতে হবে।” ভবানীপুরের সব কাউন্সিলরদের দেওয়া হয় বিশেষ দায়িত্ব ও নির্দেশ। প্রতিটি বুথের দায়িত্বে থাকা নেতাদেরও বুঝিয়ে দেওয়া হয় দলীয় নির্দেশ।

এছাড়াও এদিন কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পের তুলনা টেনে অভিষেক দাবি করেন, “আয়ুষ্মান ভারত পেতে অনেক নিয়মকানুন আছে, কিন্তু আমাদের ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ডে তেমন কোনও বাধা নেই। আর বিজেপি শাসিত কোনও রাজ্যে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর মতো প্রকল্প নেই। আমাদের সরকার থাকলে এই প্রকল্প চালু থাকবে।”এই কথাগুলিই ভবানীপুরের ভোটারদের মধ্যে প্রচার করতে ও বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ও এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর জীবনযাত্রার তুলনা তুলে ধরে অভিষেক বলেন, একদিকে প্রধানমন্ত্রীর আড়ম্বরপূর্ণ জীবনধারা, অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও সাধারণ মানুষের মতোই সাদামাটা ভাবে থাকেন। তিনি তৃণমূল নেত্রীর ঘোষিত ‘১০টি প্রতিজ্ঞা’ ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং বলেন, ”বাংলা কখনও দিল্লির সামনে মাথা নত করবে না। কলকাতার মধ্যে ভবানীপুরকে উন্নয়ন ও জয়ের নিরিখে সেরা জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।”