Header AD

‘আমরা যাদের ফেলে দিই, বিজেপি তাদের কুড়িয়ে নেয়’, তালডাংরার জনসভায় বিরোধী প্রার্থীকে কটাক্ষ অভিষেকের

ab taldangra

“বিজেপির (BJP) যিনি প্রার্থী, তিনি একসময় তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমরা যাঁদের নোংরার বালতিতে ফেলে দিই, বিজেপি তাঁদেরই কুড়িয়ে নিয়ে মাথার ওপর বসায়।” বাঁকুড়ার তালডাংরায় জনসভা থেকে এই ভাষাতেই বিজেপি প্রার্থীকে কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এ দিনের সভা থেকে অভিষেক দাবি করেন, বিজেপির নিজস্ব কোনো সংগঠন বা যোগ্য নেতা নেই, তাই তারা অন্য জায়গা থেকে লোক ধার করে প্রার্থী করছে।

এদিনের জনসভার মঞ্চ থেকে তালডাংরার বিজেপি প্রার্থীকে ‘পচা মাল’ বলে অভিহিত করেন অভিষেক। ২০১৬ সালে ওই নেতা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে থাকা একাধিক আইনি মামলার তালিকা তুলে ধরেন এই সভা মঞ্চে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, “পার্থ সতপতির পরিবার সিমলাপাল থানায় IPC ধারায় ৩৪১, ৩২৩, ৩০৭, ৫০৬-র মতো ৩৪-র অধীনে একটি মামলা বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে দায়ের করেছে। শুধু তাই নয় তার বিরুদ্ধে ভাঙচুর শ্লীলতাহানির মতো মামলা রয়েছে। বিজপির নেতা পুলক পাত্র নিজেই তার বাসস্থানে অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য ৩২৯, ২৫১/২, ৩-র ৫এর অধীনে একটি FIR বিজেপির এই প্রার্থীর বিরুদ্ধে দায়ের করেছে।”

তিনি আরও দাবি করেন, “বিজেপি যোগ্য প্রার্থী খুঁজে পায় না। ২০২৪-এর উপনির্বাচনে তারা বাঁকুড়া পুরসভার যে কাউন্সিলর অন্বেষা রায়কে প্রার্থী করেছিল, তিনি তো নির্দল হয়ে জিতেছিলেন। পরবর্তী কালে বলেছিল আমি বাঁকুড়া পুরসভা থেকে জিতেছিলাম মা-মাটি-মানুষের উন্নয়নের কারণে। তাকে বিজেপি প্রার্থী করেছে। আর এখানে বিজেপি নোংরা লোকটাকে প্রার্থী করেছে যার বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি ও শ্লীলতাহানির মামলা রয়েছে।” এরপরই তালডাংরার তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহর সমর্থনে অভিষেক বলেন, ” একদিকে শিক্ষক আর একদিকে ২ নম্বর চিটিংবাজ। আপনি কার সঙ্গে থাকবেন সিদ্ধান্ত আপনাকে নিতে হবে। ”

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তালডাংরার সভা মঞ্চ থেকে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, “বিজেপির ছোট-বড়-মাঝারি বা দিল্লির কোনো বহিরাগত নেতা যদি প্রমাণ করতে পারেন যে গত ৫ বছরে বাঁকুড়ার মানুষের জন্য বা বাংলার আবাস যোজনায় ১ টাকা দিয়েছেন, তবে আমি আর তৃণমূলের হয়ে প্রচার করতে আসব না। এই যে মায়েরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন এতে বিজেপির ১০ পয়সা অবদান রয়েছে, আমি রাজনীতির আঙিনায় পা রাখব না। আমার চ্যালেঞ্জ। এদের পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত সবই দু’নম্বরি। সব মিথ্যা।”