আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভোট (Electioninbengal) পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য পশ্চিমবঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল আনছে নির্বাচন কমিশন। আজ বুধবার, প্রথম দফার ভোটের আগের দিন রাজ্যে পৌঁছবে এই দল। পরদিন তারা বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখবে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ুতেও (Tamilnadu) যাবে এই প্রতিনিধিদল।
দ্বিতীয় দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে ২৯ এপ্রিল, যেখানে মোট ১৪২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। এই পর্বে রাজ্যে মোট ২ হাজার ৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ECI)। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হবে উত্তর ২৪ পরগনায়—মোট ৫০৭ কোম্পানি।
প্রথম দফার ভোটে ২ হাজার ৪০৭ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। সেই দফায় সর্বাধিক বাহিনী ছিল মুর্শিদাবাদ জেলায়, যেখানে মোট ৩১৬ কোম্পানি মোতায়েন করা হয়। এর মধ্যে ২৪০ কোম্পানি মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় এবং ৭৬ কোম্পানি জঙ্গিপুর এলাকায় দায়িত্ব পালন করে। দ্বিতীয় দফায় বিভিন্ন জেলায় বাহিনী মোতায়েনের চিত্রও স্পষ্ট হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত পুলিশ জেলায় থাকবে ১১২ কোম্পানি, বনগাঁয় ৬২, বসিরহাটে ১২৩, বিধাননগরে ৫০ এবং বারাকপুরে ১৬০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সুন্দরবনে ১১৩, বারুইপুরে ১৬১ এবং ডায়মন্ড হারবারে ১৩৫ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। হাওড়া জেলায় গ্রামীণ এলাকায় ১৪৭ এবং কমিশনারেট এলাকায় ১১০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। নদিয়ার কৃষ্ণনগরে ১৫৮ এবং রানাঘাটে ১২৭ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। হুগলিতে চন্দননগর কমিশনারেটে ৮৩ এবং গ্রামীণ এলাকায় ২৩৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানে মোট ৪ হাজার ৪৬৫টি বুথে নিরাপত্তার জন্য ২৬০ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল-দুর্গাপুর এলাকায় ১৯৫টি বুথে ১৩ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। রাজ্যের রাজধানী কলকাতায় ৫ হাজার ১৭২টি বুথে নিরাপত্তার জন্য ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি কোম্পানিতে অন্তত ৭২ জন করে জওয়ান থাকা বাধ্যতামূলক। সেই নির্দেশ মেনেই বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।





