Header AD

‘ISF বিজেপির বি-টিম’ দেগঙ্গার সভা থেকে নওশাদ-শাহকে একযোগে আক্রমণ অভিষেকের

Abhishek Deganga

আগামী কাল রাজ্যে প্রথম দফা ভোট (ElectioninBengal)। এবার ২৯ এপ্রিলের নির্বাচনকে মাথায় রেখে শেষবেলার প্রচারে ঝড় তুলছে সব রাজনৈতিক দল। বুধবার উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দেগঙ্গা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী আনিসুর রহমানের সমর্থনে এলাকার বেনাপুর রোহিত ইটভাঁটা মাঠে দ্বিতীয় জনসভা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এই জনসভা থেকে নাম না করে দেগঙ্গার আইএসএফ প্রার্থী মফিদুল হক সাহাজি ওরফে মিন্টুকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি বলেন, “এই গদ্দারটার তৃণমূলে ঢোকার সব রাস্তা চিরকালের মতো বন্ধ আজ আমি করে দিয়ে গেলাম আপনাদের সবাইকে সাক্ষী রেখে। অনেক জায়গায় মিথ্যে বলে বেড়াচ্ছে, মিথ্যে প্রচার করে বেড়াচ্ছে, তৃণমূলের লোকেদের সঙ্গে কথা হয়ে গেছে। আমাকে জেতাও তারপর আমি তৃণমূলে যাব। যে BJPর সঙ্গে ডিল করে টাকা নিয়ে দাঁড়ায়, তাকে তৃণমূল দল থেকে বহিষ্কার করে তৃণমূল কোন দিন দলে ফেরত নেবে না। আমরা বেইমানি করতে পারব না মানুষের সঙ্গে।“

এদিনের সভা থেকে অভিষেক  ISF- দলকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “ISF ভোটে বিজেপির ‘বি’ টিম হয়ে কাজ করছে। ISFকে একটা ভোট দেওয়া মানে সরাসরি পদ্মফুলে নরেন্দ্র মোদীকে ভোট দেওয়া।” অভিষেক আরও দাবি করেন, ISF নেতা নওশাদ সিদ্দিকীকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) মন্ত্রকের নিরাপত্তা রক্ষীরা পাহারা দেয়। এরপর নওশাদকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, “যদি সত্যিই এতটুকু বিবেকবোধ থাকে, তাহলে আগে অমিত শাহর হোম মন্ত্রকের নিরাপত্তা ছেড়ে দিয়ে রাজ্য সরকারের নিরাপত্তা নিয়ে প্রচারে নামুন। তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার আর তৃণমূলকে আক্রমণ করবেন।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, “নওশাদ সিদ্দিকীকে (Naoshad Siddiqui) নিরাপত্তা দিচ্ছে অমিত শাহর পুলিশ। কেন? ডিলটা কী? মানুষকে বোকা বানানো হচ্ছে।” অভিষেক হুমায়ুন কবিরের মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “হিন্দু-মুসলমান নয়, আমাদের বাঙালিকে বোকা বানানো খুব সোজা নয়। আর বাঙালি যদি একবার ঠিক করে নেয় যে জবাব দেবে, প্রতিরোধ, প্রতিশোধ, প্রতিবাদের রাস্তা বেছে নেবে।”

এদিন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, “কেউ ভয় পাবেন না, আতঙ্কিত হবেন না, চিন্তা করবেন না। জ্ঞানেশ কুমার আর বিজেপি মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলা দখল করতে চেয়েছিল। আজকে বাংলা জুড়ে যত সমীক্ষা হয়েছে – এসআইআর করার পরেও দেখা যাচ্ছে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে চতুর্থবার তৃণমূল জিতছে।”