‘বিদ্রোহী আসল তৃণমূল’ ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, অরুপ রায়, জাভেদ খান , রথীন ঘোষ , বিপ্লব মিত্র , স্নেহাশীষ চক্রবর্তী, এবং সাবিনা ইয়াসমিনকে দল বিরোধী কাজের জন্য শো কজ করলো তৃণমুল কংগ্রেদের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি। সোমবার রাতে দলের তরফেই এখবর জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য ফিরহাদরা ইতিমধ্যেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আসল’ তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ‘আসল’ তৃণমূলের কমিটিতেও রয়েছেন তাঁরা।এদিন কালীঘাটে নিজের বাসভবনে ছাত্র – যুবদের নিয়ে বৈঠক করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। সেখানেই তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, ২১ জুলাই শহীদ দিবসকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিতে। ছাত্র যুবদের তিনি বলেছেন বিভিন্ন জায়গায় স্ট্রিট কর্নার মিটিং করতে।
এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসরা। জাভেদ খানও দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী জানিয়েছিলেন, তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নিচ্ছেন। ঘটনাক্রমে তাঁদের সকলেই এই মুহূর্তে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আসল’ তৃণমূলে। আরও নতুন নাম আগামী দিনে এই ‘আসল তৃণমূলে’ যুক্ত হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল!এমনকি সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন ঋতব্রত।
প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যায় নিউটাউনের এক পাঁচতারা হোটেলে এই ‘আসল’ তৃণমূলের পক্ষ থেকে সাংবাদিক বৈঠকও করা হয়। তাঁদের নেতৃত্বে দলের বিশেষ অধিবেশনে নতুন করে ঘোষণা করা হয়েছে জাতীয় কর্মসমিতি। তাতে মমতা কিংবা অভিষেকের কোনও জায়গাই হয়নি। সেখানে আসল তৃণমূলের চেয়ারম্যান করা হয় প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়কে। ১১ জনের কমিটি গঠনের কথাও বলা হয় বৈঠকে। সেই কমিটিতে রয়েছেন, অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন প্রমুখ।
এরপর রাতেই কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে ফিরহাদ-অরূপ-সহ একগুচ্ছ নেতাকে শোকজ করা হয়। আজ, মঙ্গলবার দুপুরেই কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাঁদের বহিষ্কার করা হল। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, অরূপ রায়-সহ আটজনকে বহিষ্কার করা হল।





