Header AD
Trending

দুর্যোগের তথ্য দিয়ে উত্তরকন্যা থেকে কেন্দ্রকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

দুর্যোগের পর কেটে গিয়েছে আড়াইদিন। ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছে পাহাড়। মঙ্গলবার সকালে মিরিক থেকে উত্তরকন্যায় ফিরে দুর্যোগের রাত অর্থাৎ ৪ অক্টোবর ঠিক কী ঘটেছিল তা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, “দুর্যোগের আভাস মিলেছিল। জেলা প্রশাসন সতর্ক ছিল বলেই বহু মানুষের প্রাণ বেঁচেছে।”

প্রকৃতির রোষে কয়েকঘণ্টার বৃষ্টিতেই তছনছ হয়ে গিয়েছে উত্তরবঙ্গ। মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনেরও বেশি মানুষের। সোমবার দুপুরেই নাগরাকাটা পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি ত্রাণ শিবিরে যান, ক্ষতিগ্রস্থদের সঙ্গে কথাও বলেন। মঙ্গলবার মিরিকের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর ফিরে যান উত্তরকন্যায়। সেখান থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন ৪ অক্টোবর রাতের কথা। তিনি বলেন, “পরিস্থিতি জটিল হতে পারে বুঝতে পেরে প্রশাসন স্থানীয়দের সতর্ক করেছিল। তাই বহু মৃত্যু ঠেকানো গিয়েছে। নাগরাকাটা নিচু এলাকা নয়, কিন্তু হড়পা বান এমনভাবে এসেছে…. আসলে দুর্যোগ জেনেও অনেকেই ঘর ছাড়তে চায়নি।”

এসব তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি উত্তরকন্যা থেকে কেন্দ্রকে নিশানাও করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “হড়পা বানে প্রাণহানি হয়েছে। কিন্তু ওরা বলছে সেতু ভেঙে মানুষ মারা গিয়েছে! আমি তো সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিয়েছি। ৯ টার মধ্যে পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী সকলে পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু হিমাচলের দুর্যোগে ওরা কী করেছিল? মৃতের সংখ্যা লুকিয়েছিল! মহাকুম্ভের সময় তো অর্থ সাহায্যও করেনি।” দুর্যোগের মাঝে রাজনীতি না করে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার কথাই শোনা গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। দুর্যোগের ফলে বহু সেতু ভেঙেছে, বিদ্যুতের খুঁটি জলের নীচে। স্থানীয়দের আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “একটু সময় দিন, দ্রুতই সব ঠিক করা হবে।” পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, বুধবার কলকাতা ফিরলেও দু-তিনদিনের মধ্যেই ফের উত্তরবঙ্গে যাবেন তিনি।