কাজ করাতে গিয়ে তাদের উপর মানসিক চাপ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে বিএলওরা। শিলিগুড়ির দীনবন্ধু মঞ্চে একেবারে মাটিতে শুয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিএলওরা। তাঁদের অভিযোগ, দিনের পর দিন বাড়তি চাপ তো দেওয়া হচ্ছেই। এমনকী গভীর রাতে ফোন করে কমিশন থেকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন অনেকে। শুধু শিলিগুড়ি নয়, হাওড়ার টিকিয়াপাড়ার ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাসের সরকারি দপ্তরে ডিজিটাল ডেটা এন্ট্রির প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েও বিক্ষোভ দেখান বিএলওরা।
শনিবার শিলিগুড়ির দীনবন্ধু মঞ্চে ডেটা এন্ট্রির প্রশিক্ষণ শিবির চলাকালীনই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কর্তব্যরত বিএলওরা। স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। বিএলওদের অভিযোগ, আচমকাই নির্বাচন কমিশন থেকে তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ডিজিটালে ডেটা এন্ট্রি করতে হবে। আর এজন্য দ্রুত প্রশিক্ষণ নিতে হবে তাঁদের। তাতেই আপত্তি জানান বিএলওরা। কাজের চাপে স্বাভাবিক জীবন ব্যহত হচ্ছে বলেও দাবি বিএলওদের।
শুধু শিলিগুড়িতে নয়, ডেটা এন্ট্রির প্রশিক্ষন দেওয়ার জন্যই হাওড়ার শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৭২ নম্বর বিধানসভার ২৪০ জন বিএলও-র শুক্রবার প্রশিক্ষন ছিলো টিকিয়াপাড়ার ওই সরকারি দপ্তরে। আর ওখানে ওই প্রশিক্ষন নিতে গিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন বিএলও-রা। তাঁরা দাবি করেন, এত দ্রুত এই প্রশিক্ষণ নেওয়া সম্ভব নয়। একবার হাতে লিখে, একবার ডিজিটালে ডেটা এন্ট্রি করার মতো এত চাপ তাঁরা নিতে পারবেন না। তাছাড়া অনেক বয়স্ক বিএলও রয়েছেন যাঁরা এত প্রযুক্তি জানেন না। তাঁরা এই কাজ করতে সমস্যায় পড়ছেন। পাশাপাশি প্রচুর ফর্ম দিয়ে তাঁদের দ্রুত সেই ফর্ম নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে বলা হচ্ছে। দ্রুত কাজ শেষ করতে রোজ নতুন নতুন নির্দেশ দিয়ে রাত পর্যন্ত তাঁদের কাজের চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে এদিন বিক্ষোভ দেখান বিএলও-রা। একের পর এক জায়গায় বিএলওদের বিক্ষোভে রীতিমতো অস্বস্তিতে নির্বাচন কমিশন।





